রাঁচি: কৃষকদের সাহায্যার্থে উৎপাদিত সবজি এবার দেশের বাইরে রফতানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এক রাজ্য সরকার। মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলিতে সবজি পাঠাবে ঝাড়খণ্ড।

মূলত, কুয়েত, ওমান, দুবাই, সৌদি আরবে সবজি রফতানি করবে এই রাজ্য। দুই মেট্রিক টন সবজি ইতিমধ্যেই প্যাক করা হয়ে গিয়েছে। অগাস্টের ১৩ তারিখ কলকাতা থেকে জিনিসগুলি রফতানি করা হবে।

রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী বাদল জানিয়েছে, কৃষিকাজ ক্ষেত্র দেশকে এবং ঝাড়খণ্ডকে আত্মনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করবে। এই পদক্ষেপ আর্থিক অবস্থা উন্নতিতে বেশ অনেকটা সহায়ক হবে বলেও আশাবাদী তিনি।

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের এই উদ্যোগে কৃষকরা তিনগুণ বেশি লাভ পাবেন। করোনা লকডাউনে যখন আয় বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিক এমন সময়েই সিদ্ধান্ত নিল সরকার। মন্ত্রী জানিয়েছেন, “এমন মন্দার সময়ে মুখে হাসি ফোটাতে আমরা কোনও খামতি দেখা যায় না”।

প্রথমধাপে, ৫০০ জন কৃষক রাঁচি এবং জামসেদপুর অনেকটা লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। দ্বিতীয়ধাপে সরকারের তরফে চাষবাসের সঙ্গে যুক্ত রামগড়, হাজারিবাগ এবং গুমলা অঞ্চলের মহিলাদের এই কাজে নেওয়া হবে।

সবজি রফতানির কাজে আগ্রহীদের গ্রামের কৃষকদের সঙ্গে যোগ দিতে হবে। সরকারের তরফে তাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন আলোচনা করতে মাঝেমাঝেই দেখা করা হচ্ছে।

উৎপাদনের ভিত্তিতে কোয়ালিটি চেক করা হবে এবং রফতানির কাজে টেকনিক্যাল সাপোর্টের জন্য কাজ করবে মার্কেটিং টিম। বিশ্বের অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় ভারতে কমবয়সি মানুষের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। ফলে এই প্রজন্মের হারিয়ে যাওয়ার সুদূরপ্রসারী ফলাফলটি হল এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়া। শিল্পোৎপাদনে অস্বাভাবিক হ্রাস, আয়ের হ্রাস, দারিদ্রের মাত্রা বৃদ্ধি – এ ছাড়া বিভিন্ন রকম ভাবে সরকারের কর সংক্রান্ত আয়ের অবনমন যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা