রাঁচি: আরও একটি পদত্যাগ পত্র পৌঁছচ্ছে রাহুল গান্ধীর কাছে। এবার ঝাড়খণ্ডের কংগ্রসের কমিটি প্রেসিডেন্ট অজয় কুমার। লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয় দেখে কংগ্রেসের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।

ওই রাজ্যের দলের খারাপ ফলের সব দায় নিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত দলের তরফে তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করা হয়নি।

ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ও অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্ট ইউনিয়নের জোট বেশির ভাগ আসন পেয়েছে। ১৪টি আসনের ১২তিই পেয়েছে এই জোট। একটি কংগ্রেস ও একটি খাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা।

২০১৪-র পর ১৯-এও বড়সড় পরাজয় হয়েছে কংগ্রেসের। সারা দেশে মাত্র ৫২টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। রাহুলের কেন্দ্র আমেঠিতেও শোচনীয় পরাজয়। প্রিয়াঙ্কাকে দায়িত্বে আনার পরও উত্তরপ্রদেশে মাত্র একটি আসন। কংগ্রেস শিবিরে চরম হতাশা। রাহুলের পদত্যাগ করা উচিৎ বলে প্রশ্ন তুলেছে রাজনৈতিক মহল।

ফলাফলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইতিমধ্যেই তাঁর টেবিলে জমা পড়ে তিন খানা পদত্যাগপত্র।

হার স্বীকার করে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠান উত্তরপ্রদেশের প্রদেশ সভাপতি রাজ বব্বর। খোদ রাহুল গান্ধী-ও ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

ওড়িশা এবং কর্নাটকে কার্যত ধুয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। এখনও কর্নাটকে সরকার চালাচ্ছে কংগ্রেস-জেডিএস জোট। এর পরও ভরাডুবি হওয়ায় কর্নাটকের কংগ্রেসের প্রচার-প্রবন্ধক এইচ কে পাতিল ইস্তফা দেন। ওড়িশায় ২১টি আসনে মাত্র একটি দখল করতে পারে কংগ্রেস। নবীন পট্টনায়েকের বিজেডির দাপটে কংগ্রেস এবং বিজেপি ওড়িশায় কোণঠাসা। সে রাজ্যের প্রদেশ সভাপতি নীরাঞ্জন পট্টনায়েকও ইস্তফা দেন।

রাহুল গান্ধী পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু তাঁকে পদ ছাড়তে দেননি কংগ্রেস।