রাঁচি: ভারতে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে বাতিল করা হয়েছে একাধিক রাজ্যের নীচু শ্রেনীর সঙ্গে স্কুল জীবনের সবথেকে প্রথম বড়ো পরীক্ষা মাধ্যমিক। এর পাশাপাশি স্থগিত করা হয়েছে একাধিক রাজ্যের দ্বাদশ শ্রেনীর পরীক্ষাগুলিও। সিবিএসই বোর্ডের পড়ুয়ারা যখন চিন্তায় রয়েছে তাদের বোর্ড পরীক্ষা নিয়ে, ঠিক তখন কেন্দ্র সরকার রাজ্যের মতো এই বোর্ডের পরীক্ষাও বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়। করোনার ক্রমবর্ধমান বেড়ে চলার কারণে রবিবার দেশের অন্যতম বড়ো জয়েন্ট পরীক্ষাও স্থগিত করা হয় । আর এই মহামারীর সময়ে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এবার পরীক্ষা বাতিলের তালিকায় নাম লেখায় ভারতের আরেকটি রাজ্য ঝাড়খণ্ড।

করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ চলতি মাসের শুরু থেকে হটাৎ বেড়ে চলার কারণে ঝাড়খণ্ড অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল (জেএসি) রাজ্যের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেনীর পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। দশম এবং দ্বাদশ শ্রেনীর বাতিল করার কথা জেএসি অফিশিয়ালি উল্লেখ করে প্রকাশ করে। বিবৃতিতে জানানো হয়, ১ জুন পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যলোচনা করার পর পরবর্তী পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ড।

এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল আরও উল্লেখ করে জানিয়েছেন, বর্তমান মহামারীর পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ২০২১ শিক্ষা বর্ষের ১০ এবং ১২ শ্রেণীর প্রেকটিক্যাল পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এই বিষয়ে আরও তথ্য পরে প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়।

সম্প্রতি ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) এবং কাউন্সিল ফর দ্যা ইন্ডিয়া স্কুল সার্টিফেকেট এক্সামিনেশন (সিআইএসই) সমস্ত দশম শ্রেণীর ছাত্রদের পরীক্ষা বাতিল করার সঙ্গে দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিতের কথা ঘোষণা করেছে বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে। উভয় বোর্ড মূল্যায়নের জন্য বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করে দশম শ্রেণীর ছাত্রদের উত্তীর্ণ করার কথা জানিয়েছে।

সিবিএসই-র ঘোষণার পরে অনেক রাজ্যের শিক্ষা বিভাগগুলি বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করেছে ইতিমধ্যে। আবার দেশের অন্যতম বড়ো ইঞ্জিনিয়ারিং জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে করোনার সংক্রমণ বেড়ে চলার কারণে। দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিতের জন্য অনেক পড়ুয়া থেকে অভিভাবক সকলে জেইই পরীক্ষাটি স্থগিতের জন্য আবেদন জানিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.