সুরাট : বাইরে বেরোলেই ফেস মাস্ক পরা এখন বাধ্যতামূলক। সে না হয় কাপড় কিংবা বিশেষ ভাবে তৈরি সার্জিক্যাল মাস্ক পরলেন। কিন্তু যদি ফ্যাশনের অঙ্গ করতে চান সেই মাস্ককে, বা এই করোনা আবহে বিয়ে করতে যান, তখনও কি সেই কাপড়ে মাস্ক পরবেন ? নিশ্চই নয়।

সেকথা মাথায় রেখেই এবার এগিয়ে এসেছে এক সোনার গয়নার দোকান। যারা তৈরি করছে হিরে দিয়ে সাজানো মাস্ক। দেড় লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা দাম ধার্য করা হয়েছে এই বিশেষ মাস্কের।

এই গয়নার দোকানের মালিক দীপক চোকসি জানাচ্ছেন তাঁর নিজের বাড়িতেই বিয়ে ছিল। সেখান থেকেই হিরের তৈরি মাস্ক বানানোর ভাবনা মাথায় আসে তাঁর। তার পর তাঁর দোকানেও এক ক্রেতা আসেন, যিনি হিরের তৈরি মাস্ক চান। সেই মাস্ক পরবে বর ও কনে।

লকডাউন ওঠার পরে তিনি হিরের মাস্ক বানাতে শুরু করেন। বিক্রিও হতে শুরু করে। এখনও বেশ কয়েকটি হিরের মাস্কের অর্ডার তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছেন এই ব্যবসায়ী। হিরের ও অ্যামেরিকান ডায়মন্ড দিয়ে তৈরি মাস্কের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে বলে জানান তিনি। সোনার ওপর হিরে খচিত মাস্কও অনেকে চাইছেন।

ইয়েলো গোল্ডের ওপর অ্যামেরিকান ডায়মন্ডের কাজ করা মাস্কের চাহিদা রয়েছে। যার দাম দেড় লক্ষ টাকা। অন্যদিকে হোয়াইট গোল্ড ও আসল হিরের কাজের মাস্কের চাহিদাও রয়েছে। এর দাম ৪ লক্ষ টাকা।

দোকানের মালিক জানাচ্ছেন, যে কাপড়ের ওপর মাস্ক তৈরি হচ্ছে, তা সরকারের নির্দেশিত গাইডলাইন মেনেই তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, ক্রেতাদের পছন্দমত ডিজাইন দিয়েও তৈরি করা হচ্ছে এই ধরণের মাস্ক।

এর আগে, মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার পিম্পরি চিনচওয়াড় এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর কুরাদে নিজের জন্য একটি সোনার মাস্ক তৈরি করেন। দিব্যি সেটি পরেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

কুরদে বলছেন ২.৮৯ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে তাঁর এই মাস্ক বানাতে। খুব পাতলা পাতলা সোনার পাত দিয়ে স্তর বানানো হয়েছে মাস্কে। পরতে কোনও অসুবিধাই হয় না। রয়েছে শ্বাস নেওয়ার জন্য সূক্ষ্ম ছিদ্র। তবে নিজেই জানাচ্ছেন এই মাস্ক আদৌও কার্যকরী কিনা তা জানেন না তিনি।

সোনার প্রতি এত প্রেম যে সব সময় তার গলায় মোটা মোটা সোনার চেন দেখা যায়। শুধু তিনিই নন, তাঁর বাড়ির প্রত্যেকেই সোনা পরতে ভালবাসেন, তা সে যা দামই হোক না কেন। কুরদের দাবি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ব্যক্তিকে রুপোর তৈরি মাস্ক পরতে দেখে সোনা দিয়ে সেটি তৈরি করার পরিকল্পনা করেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.