নয়াদিল্লি: বন্ধ জেট এয়ারওয়েজের জন্য কোনও খরিদ্দার পাওয়া যায়নি। ফলে সোমবার ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের নেতৃত্বাধীন পাওনাদার ব্যাংকগুলি এই বিমান পরিবহণ সংস্থাটির বিরুদ্ধে ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনালে (এনসিএলটি) দেউলিয়া মামলা করার জন্য আবেদন জানায়। তারপর বৃহস্পতিবার সেই মামলা শুরুর মঞ্জুরি দেয় আদালত।

জেট এয়ারওয়েজ-এর বিষয়টিকে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে এনসিএলটি বিচারপতি নির্দেশ দেন, তিন মাসের মধ্যে সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া শেষ করার ৷ পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, তবে ওই সময়ের মধ্যে জেট এয়ারওয়েজের কাছ থেকে কোনও পাওনাদার তাদের কোনও বকেয়া উদ্ধার করতে পারবে না।

পড়ুন: সবথেকে বেশী পণ্য পরিবহণ করে রেকর্ড উন্নতি কলকাতা বন্দরের

এই দেউলিয়া প্রক্রিয়া চালানোর জন্য জেট এয়ারওয়েজের সমস্ত অফিস, সম্পত্তি ও দলিল-দস্তাবেজের দখল নিতেও বলা হয়েছে আইআরপি-কে ৷ তা দখল নিয়ে ৫ জুলাই আদালতকে প্রথম রিপোর্ট জমা দিতে হবে আইআরপিকে। তার পর প্রতি ১৫ দিন অন্তর অন্তর কাজ কতটা এগোল জানাতে হবে৷

প্রসঙ্গত, ব্যাংকগুলির কাছে ৮,৫০০ কোটি টাকার ঋণ বকেয়া রয়েছে জেট এয়ারওয়েজের। তাছাড়া অন্যান্য সরবরাহকারীদের পাওনা, কর্মীদের বেতন, বিমানবন্দরে বকেয়া মাসুল ইত্যাদি ধরলে দেনার অংকটা ১৫,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছে যায়। ইতিমধ্যে কিস্তির টাকা না পাওয়ায় বিভিন্ন সংস্থা জেট এয়ারওয়েজকে ভাড়া দেওয়া বিমান ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে কয়েকটি সংস্থা।