কলকাতা : চার আনা, আট আনা, দশ পয়সা, এক টাকা আর কিছু পুরনো নোট৷ অনেকেই দেখেছেন৷ অনেকে দেখনওনি৷ নয়া আনা পয়সার বেশিরভাগই অচল৷ এরকমই রাজার ধনের মালিক অভিনেতা জিৎ৷ আচমকা পিগি ব্যাংক ভেঙে তিনি পেয়েছেন ফেলে আসা সময়৷ অভিনেতার বয়স তখন চোদ্দো কিংবা পনেরো৷ বাবা-মা, আত্মীয় সজন হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিলেই জনসনস বেবির কৌটোয় সঙ্গে সঙ্গে ভরে রাখতেন সেগুলো৷ আজ বহু বছর পর খুঁজে বের করেছেন পাউডারের সেই খালি কৌটো৷

কৌটোটা দেখলেই যে কেউ বুঝতে পারবেন যে সেটা কত পুরনো৷ পেছনে ডিব্বাটা রেখে, সামনে ছড়ানো সেই পুরনো টাকা পয়সা৷ যা আজও অভিনেতার কাছে অমূল্য৷ খানিকটা গুপ্তধনের মতো খুঁজে পেয়েছেন ছেলেবেলার দিনগুলো৷ এক মুহূর্তও অপেক্ষা না করে ছবি তুলে পোস্ট করলেন নায়ক৷ সেই ছবি এখন ট্যুইটার থেকে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে৷

আরও পড়ুন: দেশীগার্লের আবেদনে মজে বিশ্ববাসী, মিলল ‘WORLD HOTTEST’ তকমা

জিৎ ছবিট পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “দেখ আমি কী খুঁজে পেয়েছি৷ আমার পিগি ব্যাংক৷ আমার বয়স তখন চোদ্দো কি পনেরো৷” আজ তাঁর বয়স তিরিশ পেরিয়ে চল্লিশের দোরগোড়ায়৷ তবুও পুরনো ছবিটি আপলোড করে অভিনেতার উচ্ছ্বাস ফুঁটে উঠেছে একেবারে বাচ্চা ছেলের মতো৷ তাঁর লেখায় নেটিজেনও পেয়েছে জিতের ছোটোবেলার স্বাদ৷

এই নস্ট্যালজিয়ায় গা ভাসিয়েছে জিতের ফ্যানেরাও৷ “এমন অমূল্য স্বপ্ন এবং সময় আপনি একমাত্র এই কয়েন আর নোটের মধ্যেই দিয়েই পাবেন”, “যে যতই টাকা আয় করুক না কেন৷ যতই ধনী ব্যক্তি হোক৷ কিন্তু পয়সা জমিয়ে পিগি ব্যাংকে রাখার স্মৃতি একেবারে অন্যরকম৷” এই ধরণের কমেন্টেই ভরে উঠছে হিরোর পোস্ট৷

অনেকে আবার নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয় লিখেছে, তারাও এভাবে টাকা জমাতো৷ আজও সেটাকে সযত্নে রেখে দিয়েছে৷ অন্যদিকে জিতের একজন ফ্যান নিখুঁতভাবে জনসনসের বোতলটা খেয়াল করেছেন৷ লম্বা কৌটোটাও যে বেশ পুরনো সেটা ছবিতে স্পষ্ট৷ সে লিখেছে, “জনসনসের বোতলটার কি অবস্থা৷ বোঝাই যাচ্ছে কত পুরনো৷”

আরও পড়ুন:  ‘খিলজি’ ব্যাচিলর পার্টির সঙ্গী কে জানেন?

তবে এরই মধ্যে একজন ভক্ত একেবারে অন্যরকম কমেন্ট করে বসল পোস্টে৷ সতর্ক করল জিৎকে৷ পয়সা গুলো খুব যত্নে রাখতে বলেছে সেই ব্যক্তি৷ তার কারণও অবশ্য লিখেছে সে৷ এই পুরনো সমস্ত পয়সা একেবারেই অদরকারি নয়৷ ধানের শিষ ছাপানো এক টাকার কয়েনগুলির মূল্য নাকি এখন এক লাখেরও বেশি৷ রিসার্ভ ব্যাংক অফ ইণ্ডিয়ার সামনে নাকি বোশ কিছু লোক ঘোরাঘুরি করে এই কয়েন জোগার করার আশায়৷ এই কয়েনগুলি তারা কিনে পাচার করে দেয়৷ তারপরই পুরনো পচিশ এবং পঞ্চাশ পয়সাগুলি দিয়ে তৈরি হয় বুলেট অর্থাৎ বন্দুকের গুলি৷ এই কমেন্টটি কেবল অভিনেতার নয় অনেকেরই সাহায্য হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।