নয়াদিল্লি: করোনার প্রভাবে একের পর এক পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে। এবার পিছলো জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। এপ্রিল মাসের ২৭, ২৮ ও ২৯ তারিখ এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে গিয়েছে।

জয়েন্ট এন্ট্রান্স পিছনোর কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, পড়ুয়াদের সুরক্ষা ও কেরিয়ার তাঁদের কাছে বরাবরই অগ্রাধিকার পায়। তাই পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার পরবর্তী দিনক্ষণ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। পরীক্ষার দিন ও দিন ঘোষণার মধ্য়ে অন্তত ১৫ দিন সময় থাকবে। যাতে পরীক্ষার্থীরা প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পায় তাই এই সিদ্ধান্ত। শিক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে এই কথা রবিবার জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়া ও দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা পিছনোর দাবিতে সরব হয়েছিল পড়ুয়ারা। কারণ হিসেবে মূলত বলা হয়েছিল যে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের দাপটে যখন প্রত্যেকদিন এক লক্ষ লোক সংক্রমিত হচ্ছে তখন পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হোক। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অরবিন্দ কেজরিওয়াল এর মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা ছাত্রছাত্রীদের সমর্থনে মুখ খোলেন ও তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ফলে সরকারের ওপর ক্রমাগত চাপ বেড়েই চলেছিল। ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই এপ্রিল মাসের জয়েন্ট পরীক্ষা স্থগিত করার পাশাপাশি মে মাসের জয়েন্ট পরীক্ষাও স্থগিত করার দাবিতে সরব হয়েছে।

দেশে ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি। তাই CISCE ঘোষণা করেছে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা এ বছর পিছিয়ে দেওয়া হবে। তবে এর মধ্যে দশম শ্রেণির লিখিত পরীক্ষা হবে অপশনাল। ১ জুন এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তখন যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় তবেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়া করোনার কথা মাথায় রেখে CBSE-র দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা। দশম শ্রেণির ক্ষেত্রে বোর্ডের মানদণ্ড অনুযায়ী ফলাফল প্রকাশ করা হবে। যে সব পড়ুয়া তাদের ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবে না তাদের পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.