কলকাতা: দেশের নাগরিকদের ভোটদানে সচেতন করতে একাধিক পদক্ষেপ নেয় নির্বাচন কমিশন৷ কিন্তু তাতেও পুরোপুরি সফল হওয়া যায় না৷ অনেক ভোটারই ভোটের দিন বুথমুখি হন না৷ সেই ভোটারদেরই বুথে টেনে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন জায়েদ আনোয়ার মহম্মদ৷

পেশায় ওষুধ ব্যবসায়ী জায়েদের জন্ম কলকাতায়৷ উত্তর কলকাতার ভোটার তিনি৷ তবে কর্মসূত্রে অধিকাংশ সময়ই হংকং-এ থাকেন জায়েদ৷বাবার নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়েছেন তিনি৷ নাম দিয়েছেন কারি আমের ফাউন্ডেশন৷সেই সংস্থাই ভোটধিকার প্রয়োগে সচেতন করার কাজ করছে৷

পড়ুন: লক্ষ্য সুষ্ঠু ভোট: বহিরাগতদের খোঁজে রাতভোর পুলিশের নাকা চেকিং

জায়েদ চান প্রত্যেকে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে দেশে একটা ভাল সরকার আনুন৷ তাহলেই দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাগুলি মিটবে৷ সেই বার্তা দিতে তাঁর একটি ট্যাবলো মধ্যমগ্রাম থেকে জোকা পরিক্রমা করছে৷ তিনি বলেন, ঘরে বসে শুধু রাজনৈতিক দলগুলির সমালোচনা করে কোনও লাভ নেই৷ বরং ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আমরা দেশকে একটি মজবুত সরকার উপহার দিতে পারি৷

জায়েদ জানিয়েছেন, তাঁর বাবা কারি আম ছিলেন একজন দৃষ্টিহীন মানুষ৷ কিন্তু নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে তিনি যথেষ্ট সচেতন ছিলেন৷বাবাকে দেখেই জায়েদের এমন ইচ্ছে জন্মায়৷ জায়েদ বলেন, কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি বলতে আমি শুধু বছরে পাঁচজন দুঃস্থ বাচ্চাকে জামা কাপড় দেওয়া বা পড়ানো বুঝি না৷ আমার কাছে সিএসআরের অর্থ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের পাষে সহায়ক হিসেবে দাঁড়ানো৷ তাঁদের প্রকৃত অর্থ নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা৷ তিনি জানিয়েছেন, ১৯ মে ভোটের দিন উত্তর কলকাতার বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করেছেন৷