তিমিরকান্তি পতি: চিরাচরিত প্রথা ও ঐতিহ্য মেনে শ্রীশ্রী সারদা মায়ের জন্মস্থান বাঁকুড়ার জয়রামবাটিতে শুরু হয়েছে জগদ্ধাত্রী পুজো। বুধবার মহানবমীকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জয়রামবাটির ‘মাতৃমন্দিরে’ অসংখ্য ভক্ত হাজির হয়েছে।

জয়রামবাটি মাতৃমন্দিরের পক্ষে স্বামী যুগেশ্বরানন্দ মহারাজ জয়রামবাটিতে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরুর ইতিহাস বর্ণণা করে বলেন, এটি একটি বিশেষ ঘটনা। শ্রী শ্রী সারদামায়ের মা কালী পুজোর জন্য চাল তৈরী করেছিলেন। কিন্তু কোনও এক গ্রাম্য বিরোধের জেরে ওই চাল কালী পুজোতে ব্যবহার করা হয়নি। এই ঘটনার পর সারদা মায়ের মা খুব কাঁদছিলেন।

ভক্তের এই মনোকষ্টে ব্যথিত মা কালী তাঁকে দেখা দেন ও বলেন, ‘আমি জগদম্বা, কালীর চাল আমি খাবো’। ‘জগদ্ধাত্রী রুপে আমার পুজো কর’। এরপর মা সারদাকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর মা জগদ্ধাত্রীর পুজো শুরু করেন। পরে তারা ভাবেন আর এই পুজো করা হবে না। তখন জগদ্ধাত্রী আবারও দেখা দিয়ে চলে যাওয়ার কথা বললে, উনি বলেন, ‘না তোমরা থাকবে পুজো হবে’। সেই থেকে এই পুজো চলে আসছে চিরাচরিত প্রথা ও ঐতিহ্য মেনে। শ্রীশ্রী সারদামায়ের জন্মস্থান বাঁকুড়ার জয়রামবাটিতে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকেই জয়রামবাটির ‘মাতৃমন্দিরে’ অসংখ্য ভক্ত হাজির হয়েছে।

দুর্গাপুজোর মতো জগদ্ধাত্রী পুজোতেও এখানে চারদিন ধরে পুজো হয়। তিনি আরও বলেন, এই সময় এখানে প্রচুর জনসমাগম হয়। বহু দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা পুজোর দিন গুলিতে এখানে এসে উপস্থিত হন এবং মায়ের পুজো দেন ।