কলকাতা: সারদাকান্ড প্রকাশ্য আসার পর সংস্থার কর্তা সুদীপ্ত সেনকে নিয়ে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, সুদীপ্ত তুমি কার? সারদা-কর্তার চিঠি প্রসঙ্গে এবার বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, সুদীপ্ত সেন মমতা আর ভাইপোর প্রোডাক্ট৷

সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন গ্রেফতার হওয়ার পর, বার বার একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, কোন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় সাধারণ মানুষকে ঠকিয়েছেন? এর উত্তরে কখনও উঠে এসেছে বামফ্রন্টের নাম,কখনও উঠে এসেছে শাসক দল তৃণমূলের নাম৷ যদিও দুটি দলই তাদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷

রবিবার কুলতলির সভা থেকে সুদীপ্ত সেনের চিঠির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘সুদীপ্ত সেন মমতা আর ভাইপোর প্রডাক্ট। ওর চিঠি নিয়ে কিছু আসে যায় না। কোনও অভিযোগ দাঁড়ায় না। মানুষ এসব বিশ্বাস করে না।’

এদিন সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেনের একটি চিঠিকে সামনে এনে কার্যত ঘুষখোর-তোলাবাজ বলে তীব্র আক্রমণ নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ককে অভিষেকের। শুধু তাই নয়, এতটাই আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠেন অভিষেক, বক্তব্যের মাঝে একেবারে তুই-তুকারী বলে আক্রমণ করতে থাকেন তিনি।

সভামঞ্চ থেকেই একেবারে নাম ধরে শুভেন্দুকে আক্রমণ। বলেছেন, ‘তোমাকে টিভিতে টাকা নিতে দেখা গেছে। আর তুমি আমাকে তোলাবাজ বলছ? এই প্রসঙ্গে সুদীপ্ত সেনের আদালতে দেওয়া একটি চিঠিকে সামনে আনেন ডায়মন্ডহারবারের এই সাংসদ।

সেই চিঠি ধরে অভিষেক বলতে থাকেন যে, এই চিঠিতে স্পষ্ট বলা রয়েছে যে তিনি শুভেন্দুকে টাকা দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারীকে ৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন! তাহলে তোলাবাজ-ঘুষখোর কে? সভা থেকেই জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন অভিষেক!

তিনি আরও বলেন, ১০ বছর খেয়ে মধু, তোলাবাজ এখন সাজছে সাধু। সুদীপ্ত সেন আদালতকে চিঠিতে লিখেছিলেন। এমন প্রমাণ আমার বিরুদ্ধে নেই। সুদীপ্ত সেনকে ব্ল্যাকমেল করতেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি, আদালতে দেওয়া সুদীপ্ত সেনের চিঠিতে আরও লেখা আছে যে, পালানোর আগে সুদীপ্ত সেনের অফিসে যান শুভেন্দু। আর সেখানে গিয়েও শেষ মুহূর্তেও শুভেন্দু অধিকারী টাকা নিয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি অভিষেকের৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।