নয়াদিল্লি: ২০১৯-এও সতীর্থ রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে দৌড়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু জাতীয় দলে সিনিয়র হিসেবে শেষ মুহূর্তে বাজিমাত করেছিলেন জাদেজা। তাতে কী? ২০২০ ফের অর্জুন পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন গুজরাত পেসার জসপ্রীত বুমরাহ।

প্রাথমিকভাবে চলতি বছর বিসিসিআই আধিকারিকেরা অর্জুন প্রাপকের মনোনয়ন হিসেবে কারও নাম পাঠাবেন না বলে স্থির করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পালটে পুরুষ ক্রিকেট দল থেকে দু’জনের নাম তাঁরা কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের কাছে প্রস্তাব করেছেন। পেসার জসপ্রীত বুমরাহ ছাড়াও জাতীয় দলের ওপেনার শিখর ধাওয়ানকেও মনোনীত করেছেন তাঁরা। তবে বিগত বছরগুলিতে দলের জার্সিতে বুমরাহর অবদান তাঁকে চলতি বছর তাঁকে অর্জুন প্রাপকের দৌড়ে সবার আগে রেখেছে।

শুধু বুমরাহই নন, ধাওয়ানও অর্জুন প্রাপক হিসেবে এর আগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন ২০১৮। বিসিসিআই জানিয়েছে, ‘গতবছর আমরা তিনজনের নাম প্রস্তাব করেছিলাম- বুমরাহ, জাদেজা এবং শামি।’ কিন্তু শেষ ল্যাপে এসে বুমরাহর ছিটকে যাওয়া প্রসঙ্গে বিসিসিআই’য়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সর্বোচ্চ স্তরে শেষ তিন বছরের পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে অর্জুন প্রাপকের নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু গতবছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বুমরাহর কেবল দু’বছর সম্পূর্ণ হয়েছিল। তাই জাদেজার সঙ্গে দৌড়ে ও বাদ পড়ে যায়। তাছাড়া দলে সিনিয়র হিসেবে জাদেজা বহুদিন ধরেই ধারাবাহিকতার সঙ্গে পারফর্ম করে আসছে।

২৬ বছর বয়সী বুমরাহ এযাবৎ জাতীয় দলের জার্সিতে ১৪টি টেস্ট খেলে সংগ্রহ করেছেন ৬৮টি উইকেট। পাসাপাশি ৬৪টি ওয়ান-ডে এবং ৫০টি টি-২০ ম্যাচে গুজরাত পেসারের সংগ্রহ যথাক্রমে ১০৪ এবং ৫৯টি উইকেট। অর্জুন প্রাপকের তালিকায় বুমরাহর নাম প্রসঙ্গে বিসিসিআই’য়ের এক সূত্র জানিয়েছে, ‘নিশ্চিতভাবে ও সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার। বিশ্বের এক নম্বর ওয়ান-ডে বোলার। একমাত্র এশিয়ান বোলার হিসেবে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে এক ইনিংসে ৫উইকেট নেওয়ার নজির রয়েছে।’

বুমরাহ-ধাওয়ানের পাশাপাশি শামির এই দৌড়ে বাদ পড়ার পিছনে বাধা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশি মামলার বিষয়টি। বিসিসিআইও জানিয়েছে পুলিশি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার কারণেই শামির নাম প্রস্তাব করা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.