ওয়াশিংটন-টোকিওঃ  আমেরিকাকে সাহায্য করতে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়া কোরীয় উপসাগরে সর্ববৃহৎ যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে জাপান।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন বিমানবাহী নৌ-বহর কার্ল ভিনসনের নিরাপত্তায় কোরীয় উপসাগরের উদ্দেশে যাত্রা করেছে জাপানি যুদ্ধ জাহাজ -ইজুমো।  বিবিসি জানিয়েছে, বিতর্কিত সামরিক আইন প্রণয়নের পর এই প্রথম কোরীয় উপসাগরে সবথেকে বড় জাপানি রণতরী পাঠানো হল।  জাপানের বিতর্কিত সামরিক আইনে দেশটির সেনাবাহিনীর কাজের পরিসর বিস্তৃত করা হয়েছে।  জাপানের সংবিধানে সেনা-কার্যক্রম নিয়ে কঠোরতা থাকা সত্ত্বেও সেই আইন জারির পর হেলিকপ্টারবাহী ‘ইজুমো’কে কোরীয় উপসাগরের উদ্দেশে প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছে জাপান।  বিবিসি জানিয়েছে, সেখানে ঘাঁটি তৈরি করে থাকা মার্কিন নৌবহর কার্ল ভিনসনের জন্য কাছাকাছি অঞ্চলে জ্বালানি নিয়ে যাবে একটি মার্কিন জাহাজ।  সেটিকে পাহারা দিয়ে গন্তব্যে নিয়ে যাবে ইজুমো।

কোরীয় উপসাগর নিয়ে  ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে সেখানে মোতায়েন করা হয় মার্কিন নৌবহর কার্ল ভিনসন।  এক পর্যায়ে ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে এই নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।  আমেরিকা সহ অন্যান্য কয়েকটি দেশের অব্যাহত হুমকি উপেক্ষা করে গত রবিবার ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া।  এতে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।

মার্কিন নৌবহর কার্ল ভিনসনের প্রয়োজনীয় জ্বালানি-সরবরাহের জন্য কাছাকাছি অঞ্চলে যাচ্ছে একটি মার্কিন জাহাজ।  তেলবাহী সেই জাহাজটির সঙ্গে যোগ দিতে ইজুমো এরইমধ্যে টোকিও’র দক্ষিণে ইয়োকোসুকায় অবস্থিত ঘাঁটি ছেড়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জাপানের সংবাদসংস্থা কিয়োডো।  জানা গিয়েছে, মার্কিন সরবরাহ নৌ-বহরকে পাহারা দিয়ে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত নিয়ে যাবে।  এটি জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের শিকোকু পর্যন্ত জাহাজটির সঙ্গে থাকবে।

২৪৯ মিটার লম্বা ইজুমো’তে সর্বোচ্চ ৯টি হেলিকপ্টার বহন করা সম্ভব।  জাপান টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এটি দেখতে মার্কিন উভচর অ্যাসল্ট ক্যারিয়ারগুলোর মতো।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ