টোকিও: ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ শুরু হতে আর মাত্র তিন মাস বাকি। এমন সময় টোকিও জুড়ে ফের জরুরি অবস্থা জারি হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে অলিম্পিক আয়োজন ঘিরে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মাত্রা ফের মাথাচাড়া দিয়েছে রাজাধানী টোকিও, ওসাকা-সহ বিভিন্ন প্রদেশে। স্বাভাবিকভাবেই শুক্রবার থেকে পুনরায় জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে এই সকল প্রদেশে। চলবে ১১ মে অবধি।

অলিম্পিক শুরু হওয়ার মাসতিনেক আগে দাঁড়িয়ে অলিম্পিকের শহরে জরুরি অবস্থা স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে অনুরাগীদের। সামনেই জাপানে ‘গোল্ডেন উইক’ ছুটির সপ্তাহ শুরু হচ্ছে। কিন্তু করোনায় গুঁতোয় ছুটির সপ্তাহে জনসাধারণের বাইরে বেরনোর উপরে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রধান থমাস ব্যাচের হিরোশিমায় পৌঁছনোর কথা আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে। ঠিক তার আগে অবধি চলবে এই জরুরি অবস্থা। জাপানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দেখে থমাস ব্যাচও এখন তাঁর হিরোশিমায় আসার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছেন বলে জানা গিয়েছে।

দেশের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রধান যুইচিরো তামাকি কঠিন সময়ে অলিম্পিক আয়োজনের বিরোধীতা করে মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় নজর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সরকারের উদ্দেশ্যে জনসাধারণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পলিসিতে পরিবর্তনের দাবিতে সরব হয়েছেন তামাকি। টোকিও সহ জাপানের বিভিন্ন প্রদেশে তৃতীয়বারের জন্য এই জরুরি অবস্থায় বন্ধ রয়েছে বিভিন্ন বার, শপিং মল, থিয়েটার, মিউজিয়াম। যে সকল রেস্তোরাঁ অ্যালকোহলের পরিষেবা প্রদান করে সেগুলিওকেও তারাতাড়ি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য পরিবহণ ব্যবস্থাতেও লাগাম টানা হয়েছে। স্কুল খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ফের অনলাইন ক্লাসে ফিরে যেতে হয়েছে।

সবমিলিয়ে টোকিওয় সঠিক সময়ে (২৩ জুলাই) অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে ফের দুশ্চিন্তার কালো মেঘ। তবে অলিম্পিক আয়োজক কমিটির প্রেসিডেন্ট সেইকো হাশিমোতো আশ্বাসের সুরে জানিয়েছেন, ‘আশা করছি পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই উন্নতি হবে।’ আর অলিম্পিক বাতিলের প্রশ্নে হাশিমোতো এককথায় বলছেন, ‘আমরা অলিম্পিক বাতিল হওয়ার কথা ভাবছিই না। আমরা ভাবছি নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কিভাবে এই পরিস্থিতিতে গেমস আয়োজন করা যেতে পারে। কীভাবে মানুষকে আশ্বস্ত করানো যেতে পারে যে এই পরিস্থিতিতেও নিরাপদভাবে অলিম্পিক আয়োজন করা সম্ভব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.