দেরাদুন: বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল পূর্ণগিরি জন শতাব্দী এক্সপ্রেস।ব্রেক ফেল করায় ২০ কিমিরও বেশি পেছন দিকে চলল ট্রেন। গতকাল ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) তনাকপুর-পিলিভিট রেললাইনে।ট্রেনটি দিল্লি থেকে তনাকপুর যাচ্ছিল। ভাগ্যক্রমে, এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।সেখানে প্রায় ৬০-৭০ জন যাত্রী ছিল এবং ঘটনার পর তাদের নিরাপদে চক্রপুর স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়ে এবং সেখানে থেকে বাসে করে তাদের গন্তব্যে পাঠানো হয়।এই ঘটনার পরে লোকো পাইলট এবং গার্ডকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

নর্থ ইস্টার্ন রেলের ইজ্জতনগর বরেলি ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং বলেন, গতকাল উত্তরাখণ্ডের তনাকপুর-পিলিভিট রেললাইনে পূর্ণগিরি জন শতাব্দী এক্সপ্রেসটি তনাকপুরে হোম সিগন্যালের কাছে একটি গোরুকে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার কারণে ট্রেনটি থামানো হয়েছিল কিন্তু হঠাৎই ট্রেনটি পিলিভিটের দিকে চলতে শুরু করে। চালক থামানোর চেষ্টা করেও পারেননি।তারফলে ২০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পেছনের দিকে চলতে শুরু করে। দিল্লি থেকে উত্তরাখণ্ডের তনাকপুরগামী ট্রেনটিকে অবশেষে ইউএস নগর জেলার খতিমার কাছে থামানো হয়।

রেলের অপর এক আধিকারিক বলেন, প্রেসার পাইপে ফুটো হয়ে যাওয়ার কারণে ট্রেনের ব্রেক ফেল করে। তাই চালক ট্রেন থামাতে পারেননি। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সমস্ত রেল ক্রসিং বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিকেল ৫টার দিকে রেল কর্তারা ইউএস নগর জেলার খতিমার কাছে গোশিকুয়াঁ গ্রামে ট্রেনটিকে থামান।

উত্তর পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে একটি টুইট করে জানান , “খতিমা-তনাকপুর বিভাগের মধ্যে গবাদি পশু চালুর কারণে গত ১৭ই মার্চ এই ঘটনাটি ঘটে। ট্রেনটি খতিমার কাছে নিরাপদে থামানো হয়েছে। কোনও লাইনচ্যুত হয়নি এবং সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে তনাকপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় লোকো পাইলট এবং গার্ডকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ”

পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছে, “বনবাসা ও খতিমার মাঝে ট্র্যাকে মাটি ও অন্য ভারী জিনিস রেখে ট্রেনটি থামানো হয়েছিল। সমস্ত যাত্রী নিরাপদে আছেন এবং তাঁদের বাসে করে তনাকপুরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।” তিনি আরও বলেন, “এই ঘটনার কারণ জানার জন্য তিনজন সিনিয়র কর্তার একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.