মুম্বই: ফের মারাঠাভূমের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশজুড়ে চলছে করোনার টিকাকরণ অভিযান। দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও মহারাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের। কেন্দ্রের তরফে সংক্রমণ মোকাবিলা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে। করোনা রুখতে প্রয়োজনে আরও কড়া বিধি-নিষেধ আরোপের বার্তা দেওয়া হয়েছে মাহারাষ্ট্র সরকারকে।

বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন উদ্ধব ঠাকরের সরকার। মহারাষ্ট্রজুড়ে সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় লকডাউন জারি করেছে রাজ্য সরকার। এবার নতুন করে লাতুর জেলায় ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি জনতা কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।

দেশে করোনার সংক্রমণ উদ্বেজনক হওয়া শুরু করতেই জনতা কারফিউ ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরপরই দেশজুড়ে শুরু হয়ে যায় লকডাউন। এক বছর ধরে করোনার করাল গ্রাসে গোটা বিশ্ব। ভাইরাসের ভয়ঙ্কর প্রভাব এরাজ্যেও। মহারাষ্ট্রেই করোনার সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছিল শুরু থেকে। নিউ নর্মাল পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে সংক্রমণ কমতে থাকে সেরাজ্যে। তবে সম্প্রতি ফের মহারাষ্ট্রে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। যা নিয়ে ঘোর উদ্বেগে উদ্ধব ঠাকরের সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দফায়-দফায় বৈঠক রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের। ইতিমধ্যেই মারাঠাভূমের বেশ কয়েকটি এলাকায় করোনা রুখতে লকডাউন জারি করা হয়েছে।

রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি লাতুর জেলাতেও হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় লাতুর জেলায় আজদ শনিবার ও আগামিকাল রবিবার জনতা কারফিউ ঘোষণা করেছেন জেলাশাসক। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এই দুদিন অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জেলাবাসীকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে জেলাজুড়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা মোকাবিলায় এবার আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। মাস্ক না পরলে এবার জরিমানা করা হবে।

নিউ নর্মালে মহারাষ্ট্রে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শনিবার সকাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২১ লক্ষ ৩৮ হাজার ১৫৪। মহারাষ্ট্রে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫২ হাজার ৪১।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.