টোকিও: বিশ্বজোড়া মারণ করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বের করার চূড়ান্ত ধাপে জাপান। ফুজি ফিলমের সহযোগী সংস্থা টোয়ামোর তাদের একটি ওষুধ কে করোনা প্রতিষেধক হিসেবে চিহ্নিত করার সর্বশেষ পর্যায়ে আছে বলেই দাবি। এই প্রতিষেধকের নাম অভিগান। ফুজি ফিলমের দাবি, চিনে এই প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হয়। এতে খুবই ভালো সাড়া মিলেছে। সুস্থ হয়েছেন বহু। তারপরেই জাপান সরকার একে মান্য়তা দিয়েছে।

এদিকে ফুজির দাবিতে আন্তর্জাতিক মহল সরগরম।কারণ করোনা প্রতিষেধক নিয়ে বিভিন্ন দেশ প্রতিষেধক হিসেবে বিভিন্ন ওষুধের দাবি করলেও কেউ চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছানোর কথা বলেনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্খা-হু জানিয়েছে, করোনা রুখতে কোনও প্রতিষেধক এখনও বের হয়নি। তবে গবেষণা চলছে জোরকদমে।

এর আগে ইরান দাবি করে তারা কিছু প্রতিষেধক বের করেছে, পরে কিউবার দাবি হয় তাদের তৈরি ওষুধের প্রয়োগ হয় চিনে। সর্বষেষ আমেরিকা করোনা টিকা তৈরি করে মানব দেহে প্রয়োগ করে। এদিকে করোনা সংক্রমণে বিশ্বজুড়ে চলছে মৃত্যু মিছিল। চিন, ইরান, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

ইউরোপের অন্যান্য দেশেও শয়েশয়ে মানুষ মত। ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব, ৪৪ হাজারের বেশি মৃত বিশ্বজুড়ে। ৮ লক্ষের বেশি করোনা আক্রান্ত। এই অবস্থায় ফুজিফিল্মের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টোয়ামার রাসায়নিক শাখার তৈরি অভিগান নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। সংস্থার গবেষকরা জানাচ্ছেন, অভিগান কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধেও অ্যান্টিভাইরাল প্রভাব ফেলতে পারে।

গবেষকরা জানান, চিনে করোনা চিকিৎসায় যে রোগীদের আভিগান দেওয়া হয়েছিল তারা অন্য রোগীদের তুলনায় দ্রুত সুস্থ হয়েছেন। ফুজিফিলমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জুন মাসের শেষ নাগাদ ১০০ জন রোগীর ওপর এই ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হবে। পরীক্ষায় সফলতার পরেওথাকছে হু অনুমোদন। জাপানের এই ওষুধ কি হু মেনে নেবে ? এটাও বড়সড় প্রশ্ন।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।