পানাজি: রবিবাসরীয় তিলক ময়দান সাক্ষী থাকল আরও এক দুরন্ত প্রত্যাবর্তনের। দিনকয়েক আগে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে দু’গোলে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেছিল এফসি গোয়া। কেরালার বিরুদ্ধে একই কান্ড ঘটিয়েছিলে নর্থ-ইস্ট। এদিনও ভালস্কিসের জোড়া গোলে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েছিল ওডিশা এফসি। কিন্তু সুপার-সাব দিয়েগো মৌরিসিওর জোড়া গোলে জামশেদপুরের থেকে এক পয়েন্ট ছনিয়ে নিল ওডিশা এফসি। যার একটি এল সংযুক্তি সময়ে।

চেন্নাইয়িন এফসি’র বিরুদ্ধে ১-২ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচের প্রথম একাদশে এদিন জোড়া পরিবর্তন এনেছিলেন ওয়েন কোয়েল। অন্যদিকে ওডিশা এফসি কোচ প্রথম একাদশে আনেন তিনটি পরিবর্তন। ওডিশা এফসি’র জার্সি গায়ে এদিন অভিষেক হয় জ্যাকব ট্র্যাট এবং কোল আলেকজান্ডারের। শুরু থেকেই বিপক্ষকে চাপে ফেলে দিয়ে গোল তুলে নেওয়ার মরিয়া প্রচেষ্টা দেখা যায় জামশেদপুরের মধ্যে। যার ফলও মেলে হাতেনাতে। নেরিজাস ভালস্কিসের একটি শট রক্ষা করতে গিয়ে ১১ মিনিটে বক্সের মধ্যে তা হাতে লাগিয়ে ফেলেন গৌরব বোরা। পেনাল্টি পায় জামশেদপুর।

স্পটকিক থেকে গোল করে জামশেদপুরকে এগিয়ে দেন গত মরশুমের সর্বাধিক গোলস্কোরার ভালস্কিস। গোল খেয়ে পালটা আক্রমণ শানালেও জামশেদপুর রক্ষণের লকগেট ভাঙার খুব কাছাকাছি ওডিশা পৌঁছতে পারেননি। উলটে ২৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মেন অফ স্টিল। বিপক্ষ ডিফেন্ডার শুভম সারাঙ্গির ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল তুলে নেন লিথুয়ানিয়ার স্ট্রাইকার। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় জামশেদপুর।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও বেশি তাগিদ লক্ষ্য করা যায় ওডিশার মধ্যে। শুরু থেকেই মুহুর্মুহু আক্রমণে জামশেদপুর রক্ষণকে চাপে ফেলার চেষ্টা করে তারা। মাইকেল ওনয়ু একটি ক্ষেত্রে গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর অ্যাক্রোব্যাটিক ভলি রক্ষা করেন টিপি রেহনেশ। এর কিছু সময় পরেই ওনয়ুকে তুলে দিয়েগো মৌরিসিওকে মাঠে নামান স্টুয়ার্ট বাক্সটার। ফল মেলে ৭৭ মিনিটে। জামশেদপুর গোলরক্ষক টিপি রেহনেশ বক্সের বাইরে এসে হাত দিয়ে বল আটকানোর চেষ্টা করলে লাল কার্ড দেখানো হয় তাঁকে এবং বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় ওডিশা।

ফ্রি-কিক থেকে মৌরিসিওর শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হলেও ফিরতি বল বক্সে ক্রস রাখেন সারাঙ্গি। সারাঙ্গির ক্রস থেকে মৌরিসিওর সাইডভলি স্টিফেন এজে আটকে দিলে ফিরতি বল ফের ক্রস রাখেন জ্যাকব ট্র্যাট। সেই ক্রস থেকে ব্যবধান কমান মৌরিসিও। প্রথম গোলের পর আক্রমণে আরও গতি বাড়ায় ওডিশা। সংযুক্তি সময়ে গিয়ে বিপক্ষ রক্ষণকে ক্রমাগত চাপে রাখার ফল পায় তারা। বক্সের মধ্যে ড্যানিয়ল লালহিমপুঁইয়ার পাস ধরে দর্শনীয় কার্লিং শটে স্কোরলাইন ২-২ করেন মৌরিসিও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।