শ্রীনগর: গত কয়েকদিন ধরে চরম উত্তপ্ত ভারত-পাক সীমান্ত। আর মঙ্গলবার সীমান্তবর্তী গ্রামে মৃত্যু হয়েছে আটজন সাধারণ নাগরিকের। রয়েছে মহিলা ও শিশুও। আহত হয়েছেন প্রায় ২৪ জন। আর তার জবাবও দিয়েছে ভারত। গুঁড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তানের ১৪টি সেনাঘাঁটি। এই অবস্থার পর এখন শুধুই শ্মশানের স্তব্ধতা সীমান্ত জুড়ে।

বুধবার সকাল থেকে কাঁটাতারের দু’পার থেকেই কোনও গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। রামগড়, আরএস পুরা, হীরানগর কিংবা জম্মুর কাঠুয়া, সাম্বা সহ সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিও নিস্তব্ধ। কেউ বেরোচ্ছেন না ঘর থেকে। নৌসেরা কিংবা রাজৌরিতেও নেই কোনও গুলির লড়াইয়ের খবর। সারারাতেও কোনও শেলিং বা ফায়ারিং হয়নি বলেও জানিয়েছেন গ্রামাবাসীদের।

কিন্তু কয়েকদিনের লড়াইয়ের পর এমন আচমকা সবকিছু থেমে যাওয়া অস্বাভাবিকতার লক্ষণ মনে করছেন অনেকেই। মঙ্গলবার সীমান্ত লাগোয়া ১৭৪টি স্কুল আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। তবে এই স্তব্ধতা কোনও বড়সড় লড়াইয়ের পূর্বাভাস? পাকিস্তান কি অন্য কোনও ছক কষছে? সেই প্রশ্নই উঁকি মারছে অনেকের মনে।