নয়াদিল্লি: দেশ স্বাধীন হয়েছে এমন ৭৪ বছর পার করছি আমরা। অথচ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের বাড়িতে কিনা নূন্যতম বিদ্যুৎ টুকুও নেই। দীর্ঘ ৭৪ বছর এমন ভাবেই প্রায় বিদ্যুৎহীন থাকা এলাকার নাম কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার মাছিল সেক্টর।

তবে একেবারে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিল না এ এলাকা। প্রতি বিকেলে মাত্র তিন ঘণ্টার জন্য আসত বিদ্যুৎ। ডিজেল চালিত জেনারেটর দিয়ে ৩ ঘন্টার জন্য এই বিদ্যুৎ দেওয়া হত মাছিলের ২০ টি গ্রামে।

তবে এবার ‘দিনের অন্ধকার’ ঘুচল। কদিন আগেই ২৪x৭ বিদ্যুৎ পেয়েছে ওই জেলার কেরান। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে মাছিলেও পৌঁছেছে বিদ্যুৎ। রোহিত কানসাল, যিনি জম্মু কাশ্মীরের ইলেকট্রিক বিভাগের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছরের মধ্যে সমস্ত সীমান্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

এতদিন ডিজেল জেনারেটরের মাধ্যমে মাছিল সেক্টরের ২০ টি গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল তবে এখন তারা ইলেক্ট্রিসিটি গ্রিড থেকেই বিদ্যুৎ পাবেন। কুপওয়ারা জেলা কালেক্টর আংশুল গার্গ একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমরা নয়টি গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছি, তবে আগামী ২০ দিনের মধ্যে বাকি সমস্ত গ্রামগুলি গ্রিডের মাধ্যমে ২৪x৭ বিদ্যুৎ পাবে।”

ওই এলাকায় কর্মরত এক ইঞ্জিনিয়ার জানিয়েছেন, কেরানের মতো মাছিলও আগে সন্ধ্যাবেলা তিন ঘন্টা বিদ্যুৎ পেত। ডিজেল চালিত জেনারেটর সেটগুলির মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হত। তবে এই পদ্ধতি খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য ছিল না। এখন এখানে বিদ্যুতের গ্রিড ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি জানাচ্ছেন, মাছিল দেশের উত্তরাঞ্চলীয় অঞ্চল এবং এখানকার ভূখন্ড অত্যন্ত শক্ত, ফলে এই এলাকায় তম্ভ স্থাপন করা একটি কঠিন কাজ ছিল। তবে এখন যে ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়ে গিয়েছে, তারফলে কোনও সমস্যা ছাড়াই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

মাছিল কুপওয়ারা জেলার হেডকোয়ার্টার থেকে ৬৫ কিমি দূরে অবস্থিত। এছাড়া সীমান্তে চলা শেলিং ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখেও পড়তে হয় এই এলাকাকে। সেখানকার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সুরক্ষার দিক থেকেও এটি একটি খুশির খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।