নয়াদিল্লি: চলতি বছরের শেষেই সম্ভব হবে জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা ভোট৷ নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে৷

অমরনাথ যাত্রা শেষ হলে কমিশন উপত্যাকার বিধানসভা ভোট নিয়ে চিন্তা ভাবনা করবে বলে জানা গিয়েছে৷
হিংসায় দীর্ণ জম্মু-কাশ্মীর৷ জঙ্গি দমন নিয়ে মতভেদ হয় রাজ্যের জোট সরকারের দুই শরিক পিডিপি ও বিজেপির৷ তিন বছরের সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষে৷ ২০১৮ সালের জুনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জম্মু-কাশ্মীরে দলীয় বিধায়ক, নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তারপরই পদক্শেপ করে পদ্ম শিবির৷

আরও পড়ুন: ইফতার নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, গিরিরাজকে ধমকালেন অমিত শাহ

সেই থেকে জম্মু-কাশ্মীরে জারি রয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন৷ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি শাসন লাগুর পরের ছয় মাস তা বলবৎ রাখা যায়৷ কিন্তু বিশেষ ক্ষেত্রে তা বাড়ানোও যায়৷ ২০১৮ সালে ডিসেম্বরে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের মেয়াদ আরও চয় মাস বৃদ্ধি করা হয়েছিল৷ যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০১৯ সালের ৩১ জুন৷ জানা গিয়েছে সেই মেয়াদ ফের পরে ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হবে৷

কমিশন সূত্রে খবর, ১লা জুলাই থেকে অমরনাথ যাত্রা শুরু হচ্ছে৷ যা চলবে আগামী ৪৬ দিন৷ ১৫ই অগাষ্ট শ্রাবণ পূর্মিমার মধ্যে দিয়ে শেষ হবে যাত্রা৷ তারপরই কমিশন আলোচনায় বসবে জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসবা ভোট নিয়ে৷ আলোচনায় মতানৈক্যের ভিত্তিতে জানোন হবে উপত্যাকার ভোটের দিনক্ষণ৷ কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের আইন-শৃঙ্খলা ও পরিস্থিতি নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ নজর রাখা হয়েছে৷ বিভিন্ন সূত্র মারফৎও খবর নেওয়া হচ্ছে৷ অমরনাথ যাত্রা শেষ হলে বিবেচনা করা হবে পুরো বিষয়টির৷

আরও পড়ুন: মেসেজ বক্সে ‘জয় হিন্দ’, তৃণমূলের রুচি নিয়ে সরব সাংসদ লকেট

লোকসভার সঙ্গেই দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ জম্মু-কাশ্মীরেও লোকসভার সঙ্গেই বিধানসভা ভোট হবে বলে মনে করা হয়েছিল৷ কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক ও তাঁর সহযোগিদের সঙ্গে আলোচনা করেন৷ পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, একসঙ্গে দু’টি ভোট করার পরিস্থিতি নেই সেখানে৷ তাই রাজ্যের পাঁচ আসনে নির্বিঘ্নে লোকসভা ভোট করতেই তৎপর হয় কমিশন৷

সদ্য সমাপ্ত লোকসভা ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবেই৷ এবার তাই কমিশনের নজরে বিধানসভা ভোট৷ তবে সময় নিয়েই সুষ্ঠুভাবেই তা সম্পন্ন করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I