নয়াদিল্লি: সাংবাদিকের পরে এবার খোদ দিল্লি পুলিশ। গত ১৫ ডিসেম্বর দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটনার একটি ভিডিও সামনে এনেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের বিশেষ তদন্তকারী দল৷ রবিবার তাঁদের তরফ থেকে এই ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। আর তাতে বেশ কয়েকজন বহিরাগতকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দেখতে পাওয়া গিয়েছে।

শনিবার প্রকাশ্যে আসা ভিডিওর ভিত্তিতে জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোঅর্ডিনেশন কমিটির তরফ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছিল। তাতে দেখা গিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়ুয়াদের উপরে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ।

কিন্তু দিল্লি পুলিশের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে পুলিশের নির্মমতা। কিন্তু সিট এর প্রকাশ করা ভিডিওতে হামলাকারীদের পড়ুয়া বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর আগেই ইন্ডিয়া টুডের তরফ থেকে প্রকাশ হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে ১৫ ডিসেম্বর বেশ কয়েকজন মুখে কাপড় বেঁধে রিডিং রুমে ঢুকে পড়ুয়াদের মারধোর করছে। পাশাপাশি দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকজন পাথর নিয়েও লাইব্রেরিতে ধুকেছে দেখা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.