লন্ডন: রুপোলি পর্দায়০০৭ জেমস বন্ড হয়ে শয়তানের ডেরায় একেবারে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও নিজেকে মুক্ত করে আনতে তিনি বারবার সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু বাস্তব জীবনে একেবারে নিঃশব্দে ঘুমের মধ্যে দিয়ে তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ৯০ বছর বয়সে জেমস বন্ড খ্যাত শন কনারির জীবনাবসান।

প্রয়াত এই স্কটিশ অভিনেতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেনশন কনারি। মৃত্যুর সময় তিনি ছিলেন বাহামা দ্বীপপুঞ্জে। বিখ্যাত সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক ইয়াং ফ্লেমিং সৃষ্ট জেমস বন্ড চরিত্রটি ভীষণভাবেই জনপ্রিয় গোটা বিশ্বের মানুষের কাছে। তাকে নিয়ে বেশ কিছু ছবি হয়েছে আর সেইসব ছবির অনেকগুলোতেই জেমস বন্ডের চরিত্রে দেখা গিয়েছে শন কনারিকে।

১৯৬২ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে ‘ডক্টর নো ‘ ‘নেভার সে নেভার এগেন’ সহ ৭টি ছবিতে জেমস বন্ডের ভূমিকায় তিনি অভিনয় করেছেন। তবে জেমস বন্ড ছাড়াও আরও বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন শন কনারি।

সেইসব উল্লেখযোগ্য ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে, মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস, দ্য ম্যান হু উড বি কিং, আ ব্রিজ টু ফার, ফাইন্ডিং ফরেস্টার, ইন্ডিয়ানা জোন্স অ্যান্ড লাস্ট ক্রসেড।

তিনি সেরা সহ-অভিনেতা হিসেবে অস্কার পান দ্য আনটাচেবলস ছবিতে অভিনয় করার জন্য। সারা জীবন একাডেমি অ্যাওয়ার্ড এর পাশাপাশি তিনি ২বার বাফটা,৩ বার গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।