প্রদ্যুত দাস, জলপাইগুড়ি: অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মেয়ে পূর্ণিমা রায়৷ বাবা পেশায় টোটো চালক৷ কোনও রকমে সংসার চলে তাঁদের৷ তার মধ্যে দিয়েই যথাসাধ্য চেষ্টা করে মেয়ে পূর্ণিমাকে পড়াশোনা করাচ্ছে বাবা সাগর রায়৷ তার মধ্যে দিয়েই চতুর্থ ন্যাশনাল ক্যাডেট কেওরুগি অ্যান্ড পুনসাই টাইকন্ডু চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১৮-২০১৯-এ বাংলার হয়ে অংশগ্রহণ করেছিল পূর্ণিমা৷ সেই প্রতিযোগিতায় সে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে রৌপ‍্য পদক পায়৷

এই চ্যাম্পিয়নশিপটি বেঙ্গালুরু জহরলাল নেহেরু ইন্দোর স্টেডিয়ামে ৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল৷
জলপাইগুড়ি সেন্ট্রাল উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী পূর্ণিমা রায়। তার এই সাফল্যে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খুবই খুশি বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ডঃ সুদীপ্তা শিকদার।

তিনি বলেন, খুব দরিদ্র পরিবারের মেয়ে পূর্ণিমা রায়। বাবা সাগর রায় পেশায় টোটো চালক। বাড়ি শহরের রাজবাড়ী পাড়া এলাকায়। অভাবের সংসারে তার এই সাফল্যে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সাহায্য এবং আগামী দিনে পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে পূর্ণিমা বলেন, অভাবের সংসারেও বাবা টোটো চালিয়েও পাশে থেকে খেলাধুলোয় মনোবল বাড়িয়েছে।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও কোচ তাকে খেলাধুলোয় খুব সাহায্যে করেছে। আগামী দিনে ইন্টারন্যাশনাল খেলতে যাওয়ার ইচ্ছা দরিদ্র পরিবারের মেয়ে পূর্ণিমার। যদি কোন সহৃদয় মানুষ তাঁকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে৷ তাহলে সে আরও এগিয়ে যেতে পারবে বলে আশাবাদী পূর্ণিমা।