প্রদ্যুৎ দাস,জলপাইগুড়ি : বাইরে আধুনিক হলেও এখনও পুরোপুরি সভ্য হয়ে উঠতে পারিনি আমরা। এখনও মনের ভিতর বাসা বেঁধে আছে অন্ধ বিশ্বাস আর কুসংস্কার। শুধুমাত্র এই কুসংস্কারের বশবর্তী হয়ে সামাজিক দূরত্বকে সরিয়ে ফেলে অন্ধভাবে করোনাভাইরাসকে দেবী রুপে পূজা করছেন জলপাইগুড়ি জেলার মহিলারা।

সারা বিশ্বের তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীরা যখন করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছেন, ঠিক তখনই বাংলায় করোনা ভাইরাসকে দেবী রুপে পুজো করার বিষয়টি বিজ্ঞানের উপর মানুষের আস্থাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

এদিকে রায়গঞ্জ, অসমের পর জলপাইগুড়ির এমন ঘটনায় তাজ্জব বনে গিয়েছেন দেশের বুদ্ধিজীবি থেকে শুরু করে প্রশাসনিক মহল।সোমবার এমনই ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল জলপাইগুড়ির জেলার ঘুমটি,সুকান্ত নগর কলোনীর মানুষজন

খোলা মাঠে ধূপদীপ জ্বালিয়ে করোনা দেবীর পুজোয় মেতে উঠেছেন মূলত ওই জেলার মহিলারা। তাঁদের বিশ্বাস, একমাত্র পুজোর মাধ্যমেই শান্ত হবে করোনাভাইরাস। করোনা দেবীকে রুষ্ট করলে তিনি আবার সবকিছু আগের মতোন করে দেবেন।

আর শুধুমাত্র এই অন্ধবিশ্বাসে এদিন জলপাইগুড়ি জেলার ২ নম্বর ঘুমটি এলাকার বাসিন্দারা বিশেষত মহিলারা করোনা দেবীর পুজো করেছেন। এদিন জলপাইগুড়ির সুকান্ত নগর কলোনি এলাকায় খোলা আকাশের নিচে ফাঁকা মাঠে পুজো করা হয় করোনা দেবীর। পুজোর পর মহিলারা জানান,করোনা সংক্রমণ ঠেকাতেই এই পুজোর আয়োজন।সকলের জন্য মঙ্গল কামনা করা হয়েছে। পৃথিবী করোনা মুক্ত হোক – এই প্রার্থনাই জানানো হয়েছে বলে জানান তারা।

এদিকে গোটা রাজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জলপাইগুড়িতেও ক্রমশ লম্বা হচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় এই জেলায় নতুন করে করোনা সংক্রামিত হয়েছে মোট ৬৫ জন। এছাড়াও এখনও পর‍্যন্ত গোটাদেশে মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২,৪৬,৬৫০ জন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ