প্রদ্যুৎ দাস, জলপাইগুড়ি: শুঁড় উচিয়ে গাছের পাকা কাঁঠাল খেতে যাওয়ায় কাল হল। ফের বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু হল দুটি পূর্ণবয়স্ক হাতির। এই নিয়ে চলতি সপ্তাহে গত দু-দিনে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে দুটি হাতি মারা যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে বনদফতরে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোররাতে আচমকাই হাতির আর্তনাদ শুনতে পান নাগরাকাটা বামনডাঙা চা বাগানের স্টাফ কোয়াটারের বাসিন্দারা। ভোরের আলো ফুটতেই বাগানে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান একটি বিশালাকার পুরুষ মাকনাহাতি মরে পড়ে আছে। তার গায়ে জড়িয়ে আছে বিদ্যুতের খুঁটির তার।

এদিকে পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার মানুষজন এসে চা বাগানে ভিড় জমাতে থাকেন। আবার মৃতদেহের সামনে ফুল ও ধূপকাঠি দিয়ে পুজোও করতে দেখা যায় এলাকার বেশকিছু মহিলাকে।

হাতি মৃত্যুর ঘটনায় নাগরাকাটা থানার ওসি সঞ্জু বর্মন বলেন, “বুধবার ভোরে আমরা খবর পাই বামনডাঙা চা বাগানের স্টাফ কোয়াটারে একটি হাতি মারা গিয়েছে। এরপর আমরাই খবর দিই ডায়না রেঞ্জ অফিসে।”

মুকেশ চৌধুরী নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “হাতির হানা এখানে নিত্যকার ব্যাপার। রাতেও হাতি এসেছিল। আজ ভোর রাতে আমরা আচমকাই হাতির আর্তনাদ শুনতে পাই। সকালে এসে দেখি একটি বিশাল আকারের হাতির মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। তার গায়ে বিদ্যুতের খুঁটির তার জড়িয়ে আছে।”

ঘটনায় পরিবেশ প্রেমী সংগঠন স্পোর এর সম্পাদক শ্যামা প্রসাদ পান্ডে বলেন, সম্প্রতি আমরা উত্তরবঙ্গে লক্ষ্য করছি বিদ্যুৎপিষ্ট হয়ে হাতির মৃত্যু সংখা বাড়ছে। এই ধরনের মৃত্যুর প্রাথমিক কারন হিসেবে আমরা লক্ষ করছি চা বাগান এবং বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটির তারগুলি ঝুলে রয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে দাবি রাখছি তারা অবিলম্বে সার্ভে করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিক। নইলে এধরনের ঘটনা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঘটনায় ডায়না রেঞ্জের রেঞ্জার রাজকুমার লায়েক বলেন, ” খবর পেয়ে আমরা এখানে এসে একটি পুরুষ মাকনা হাতির মৃতদেহ দেখতে পাই। হাতিটির গায়ে বিদ্যুতের খুটির তার জড়িয়ে আছে। এটি সম্ভবত নাথুয়ার জঙ্গল থেকে বামনডাঙা চা বাগানের বাবুদের কোয়াটারে পাকা কাঠাল খেতে এসেছিলো। হাতির মৃতদেহের ময়না তদন্ত হবে। তারপর এর মৃত্যুর আসল কারন জানা যাবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।