ফাইল ছবি৷

জলপাইগুড়ি: ছুটির দিনেও মানুষের পাশে থেকে কাজ করছেন জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের আধিকারিক‌রা। জেলার গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষের সমস্যার কথা শুনছেন তাঁরা। চটজলদি সমস্যা সমাধানের উপায়ও বাতলে দিচ্ছেন। এাকাতেই প্রশাসনমের কর্তাদের দেখা পেয়ে উচ্ছ্বসিত গ্রামবাসীরা। প্রশাসনিক কর্তাদের সামনে পেয়ে নিজেদের অভাব-অভিযোগের কথাও জানালেন অকপটে। বাসিন্দাদের নানা অভিযোগ ধৈর্য ধরে শুনলেন প্রশাসনের কর্তারাও। কোন পথে সমস্যার সমাধান হবে তারও বেশ কিছু উপায়ও বাতলে দিলেন তাঁরা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগের প্রশংসায় আমজনতা।

শনিবার জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্তা খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেনে প্রশাসনের কর্তারা। গ্রাম সফরে যান জলপাইগুড়ি সদর মহকুমা শাসক রঞ্জন‌কুমার দাস, বিডিও তাপসী সাহা সহ বিভিন্ন দফরের আধিকারিকরা। এলাকায় ঘুরে ঘুরে একশো দিনের কাজকর্ম‌ও খতিয়ে দেখে‌ন তাঁরা। একশো দিনের প্রকল্পে কোন কাজ চলছে, মজুরি বাবদ কী পরিমাণ টাকা পাচ্ছেন স্থানীয়দের সঙ্গে সে বিষয়েও কথা বলেন সরকারি আধিকারিরকরা।

এলাকায় কোন কোন কাজে ঘাটতি রয়েছে তাও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জেনে নেন প্রশাসবনের কর্তারা। সরকারি আধিকারিকদের পাশে পেয়ে নিজেদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন গ্রামের বাসিন্দারা। কারও অভিযোগ এলাকার বেহাল রাস্তা নিয়ে। কেউ অভিযোগ করলেন নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে। গ্রামবাসীদের সব নালিশ শুনেছেন প্রশাসনের কর্তারা। সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।

জলপাইগুড়ি সদর মহকুমা শাসক রঞ্জন‌কুমার দাস জানিয়েছেন, দুপুরের দিকে এলে লোকজন‌দের খুব একটা কাছে পাওয়া যায় না। তাই সকালেই গ্রামে চলে গিয়েছিলেন তাঁরা। এলাকার মানুষদের কিছু সমস্যা‌র কথাও উঠে এসেছে। সব সমস্যা খতিয়ে দেখবে প্রশাসন। আগামি দিনে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন মহকুমা শাসক।‌

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ