নয়াদিল্লি: রিজার্ভ ব্যাংকের সঞ্চয় কেন্দ্রের সঙ্গে ভাগ করার ব্যাপারে নীতি পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে অন্তত আর দু’টি বৈঠকের প্রয়োজন হবে৷ এই বিষয়ে গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান ও রিজার্ভ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর বিমল জালান মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন ।

২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিমাল জালানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের এই কমিটি গঠিত হয় রিজার্ভ ব্যাংকের আর্থিক মূলধন কাঠামো পর্যালোচনা করার জন্য৷ ধরা হয়েছিল কমিটি-র প্রথম বৈঠকের ৯০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করবে৷ গত ৮ জানুয়ারি এই কমিটির প্রথম বৈঠক হয়৷ তারপরে ৯০ দিন পার হলেও চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। জালান জানিয়েছেন, এখন নীতি তৈরির প্রক্রিয়া চলছে এবং আরও দু’টি বৈঠকের প্রয়োজন হবে চূড়ান্ত করতে।

সমস্ত খরচ বাদ দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাঁড়ারে যা টাকা আছে এখন তারই ভাগ চাইছে কেন্দ্র। এবার আদৌ তা ভাগ করা যাবে কি না, এবং করলেও সেই অংক কত হবে—তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে ও কেন্দ্রের বিরোধ দেখা দেয়৷ বিভিন্ন মহলের ধারণা গত বছর তৎকালীন গভর্নর উর্জিত পটেল পদত্যাগ করেন এই বিষয়ে মতো বিরোধের কারণেই৷ রিজার্ভ ব্যাংকের সঞ্চয়ের ভান্ডারে ছিল ৯.৬ লক্ষ কোটি টাকা।

উর্জিত প্যাটেলের পদত্যাগের পর য়েমন নতুন গভর্নর হল শক্তিকান্ত দাস তেমনই আবার রিজার্ভ ব্যাংকের সঞ্চয় ভেঙে কেন্দ্রের হাতে আনার জন্য নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করতে বিমল জালানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের কমিটি তৈরি করে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পরিচালন পর্ষদ। ওই কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হন রিজার্ভ ব্যাংকের প্রাক্তন ডেপুটি গভর্নর রাকেশ মোহন। তাছাড়া অন্যান্য সদস্যেরা রয়েছেন অর্থসচিব সুভাষচন্দ্র গর্গ, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ডেপুটি গভর্নর এন এস বিশ্বনাথন, শীর্ষ ব্যাঙ্কের কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্য ভরত দোশী ও সুধির মাঁকড়।