কলকাতা: বোমায় আহত মন্ত্রী জাকির হোসেনকে (jakir hussain) কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে৷ এসএসকেএম ট্রমা কেয়ারে (SSKM Hospital) রয়েছেন তিনি৷ চিকিৎসায় গঠন করা হয়েছে মেডিক্যাল বোর্ড। আজ,বৃহস্পতিবার জাকিরের অস্ত্রোপচার(surgery)৷

ভোর ৫টা নাগাদ মন্ত্রী ও তাঁর এক সঙ্গীকে এসএসকেএম ট্রমা কেয়ার সেন্টারে নিয়ে আসা হয়৷ আহত আরও ১২ জনকেও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে খবর৷ চিকিৎসায় গঠন করা হল মেডিক্যাল বোর্ড।

রাজ্যের শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের (jakir hussain)৷ মুর্শিদাবাদের নিমতিতা স্টেশনে তাকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।তারপর জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মন্ত্রীকে ভরতি করা হয়৷ সেখান থেকে তাকে নিয়ে আসা হল এসএসএকএম হাসপাতালে৷

রাজ্যের মন্ত্রী ছাড়াও মুর্শিদাবাদ জেলার নাম করা ব্যবসায়ী জাকির হোসেন। কে বা কারা তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়ল তা খুঁজে বার করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বড়সড় প্রশ্নের মুখে৷

নিজের বিড়ি কারখানা থেকে বের হওয়ার পরেই আক্রান্ত শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। সূত্রের খবর, নিমতিতা স্টেশনে ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে মন্ত্রীকে লক্ষ্য করেই ছোড়া হয়েছে ওই বোমা। জাকির হোসেনের সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁরাও গুরুতর আহত হয়েছেন ওই ঘটনায়।

মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আবু তাহেরকে ফোন করলে তিনি কলকাতা24×7-কে জানান, “বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতাজি ইনডোরের সভায় যোগ দেওয়ার জন্য জাকির হোসেন কলকাতায় যাচ্ছিলেন। নিমতিতা স্টেশনে দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। তিনি সঙ্কটজনক। আমাদের অনুমান, এই হামলা বিজেপি বা কংগ্রেস করতে পারে।”

উল্লেখ্য, এলাকায় বেশ দাপুটে ও জনপ্রিয় ছিলেন জাকির হোসেন। মূলত ব্যবসায়ী ও সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত জাকির হোসেন। যিনি জেলায় গরু পাচার নিয়ে প্রথম সরব হন। তাই নিয়ে দলের একাংশের বিরাগভাজন হন তিনি।

এই ঘটনার পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, এই ঘটনায় স্পষ্ট বাংলায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি কোথায় এসে ঠেকেছে৷ তিনি শুধু একজন মন্ত্রী নন, একজন সফল ব্যবসায়ী৷ অধীর বলেন, জাকির হোসেন বিরোধী দলের মন্ত্রী হলেও তাঁর সঙ্গে পরিচয় দীর্ঘদিনের। তিনি জেলার শিল্পপতি এবং হাজার হাজার মানুষের রুটি-রুজির বন্দোবস্ত করেছেন। কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরই তাঁর শত্রু বেড়েছে৷ ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি৷

উল্লেখ্য, বছর দুয়েক আগে এভাবেই প্রকাশ্যেই তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসকে গুলি করে মারা হয়। এবার জাকিরের ক্ষেত্রে সেরকম না হলেও বোমার আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন রাজ্যের এই প্রতিমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.