জয়পুর : ফের সমস্যায় পদ্মাবতী৷ এবারও ছবি রিলিজ না করতে দেওয়ার হুমকি৷ তবে এবার আর কোনও সংগঠনের পক্ষ থেকে নয়৷ আপত্তি উঠেছে জয়পুরের রাজপরিবারের পক্ষ থেকে৷

ভারতীয় জনতা পার্টির বিধায়ক দিয়া কুমারী জয়পুর রাজপরিবারের সদস্যা৷ তিনি হুমকি দিয়েছেন পদ্মাবতী ছবির মুক্তি তিনি আটকে দেবেন৷ তবে পরিচালক যদি “আপত্তিকর দৃশ্যগুলি” ছবি থেকে সরিয়ে নেয়, তাহলে ছবি মুক্তিতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই৷ রাজপুত সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে তিনি জানিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না দৃশ্যগুলি ছবি থেকে সরানো হবে, পদ্মাবতী থিয়েটারে মুক্তি পাবে না৷ তবে শুধু দৃশ্যগুলি সরালেই হবে না৷ দিয়া কুমারী জানিয়েছেন, আপত্তিকর দৃশ্যগুলি সরানোর পর তাঁরা যদি সন্তুষ্ট হন, তবেই রিলিজ করবে পদ্মাবতী৷

ইতিমধ্যেই মুক্তি নিয়ে নানা সমস্যায় জড়িয়েছে পদ্মাবতী৷ কিছুদিন আগে সর্ব ব্রাহ্মণ মহাসভার রাজ্য সম্পাদক সুরেশ মিশ্র জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের অনুভূতির কথা মাথায় রেখে ছবিটি ব্যান করার কথা বলা হয়েছে৷ তাই যদি না হয়, তাহলে সর্ব ব্রাহ্মণ মহাসভা এর বিরুদ্ধাচরণ করবে৷ “ওরা (বনশালির টিম) পদ্মাবতীর ঐতিহাসিক ঘটনাগুলি বিকৃত করার চেষ্টা করছে৷ এটা কেউ মেনে নেবে না৷”

পদ্মাবতীর শুটিং শুরু হওয়ার আগে করনি সেনা বিরুদ্ধাচরণ করছিল৷ তাদেরও অভিযোগ ছিল ইতিহাস বিকৃত করেছেন পদ্মাবতীর পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালি৷ সেই কারণে তারা শুটিং সেটে ভাঙচুরও চালায়৷ ক্যামেরা সহ অন্য যন্ত্রপাতি ভেঙে দেয়৷

এছাড়া ছবি মুক্তি সাময়িক পিছোতে চেয়েছে বিজেপি৷ এই মর্মে আগামি কয়েক দিনের মধ্যে তারা নির্বাচন কমিশন ও সেন্সর বোর্ডকে চিঠিও দিতে চলেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I