কলকাতা: ভিক্টোরিয়ায় একসঙ্গে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা। আর সেখানেও উঠল জয় শ্রীরাম স্লোগান। মঞ্চ ছাড়লেন ক্ষুব্ধ মমতা।

নেতাজির জন্মদিন উপলক্ষে এদিন ভিক্টোরিয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দু’জনে একসঙ্গেই প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময়ও পাশাপাশি বসেছিলেন মমতা-মোদী। বিভ্রাট ঘটল কিছুক্ষণ পরই।

মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান করতেই দর্শকাসন থেকে উঠল ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান। স্বাভাবিকভাবেই তাতে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন মমতা। মঞ্চে উঠে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মোদীর সামনেই।

মঞ্চে উঠে মমতা বলেন, ‘এটা সরকারি অনুষ্ঠান, কোনও রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠান নয়।’ তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারকে ধন্যবাদ যে তাঁরা কলকাতায় এরকম একটি অনুষ্ঠান করেছেন। কিন্তু, এভাবে কাউকে আমন্ত্রণ করে অপমান করা উচিৎ নয় বলে মন্তব্য করেছেন মমতা। একথা বলেই মঞ্চ ছাড়েন তিনি।

শেষে ‘‌জয় হিন্দ’‌, ‘‌জয় বাংলা’‌ বলে নিজের আসনে গিয়ে বসেন ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই এই আকস্মিক ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যরা। পরিস্তিতি ফের আয়ত্তে আনতে পরবর্তী উদ্বোধনী কর্মসূচির দিকে এগিয়ে যায় অনুষ্ঠান। মঞ্চে ডাক পড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।

‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান নিয়ে বছর দুয়েক আগে প্রকাশ্যোই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মমতা। গাড়ি থামিয়ে নেমে স্লোগানকারীদের সরাসরি চ্যালেঞ্জও জানিয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি কোচবিহারে আবার তাঁকে লক্ষ্য করে ওই স্লোগান দেওয়া হলেও মমতা তাতে কর্ণপাত করেননি। কিন্তু শনিবারের কর্মূসচি ছিল একান্ত ভাবেই সরকারি। সেখানে রাজনীতির কোনও ছোঁয়া ছিল না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা অনভিপ্রেত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।