কলকাতা: এপার ওপার দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এবার এমন এক ছবিতে কাজ করতে চলেছেন যাত্রার দেখে আপনার গায়ে কাঁটা দেবে। শুধু ঢালিউড নয় টলিউডেও তিনি যথেষ্ট পরিচিত মুখ। সৃজিত মুখোপাধ্যায় কৌশিক গাঙ্গুলি,বিরশা দাসগুপ্ত সহ বহু প্রথম সারির অভিনেতাদের অভিনেত্রী হিসেবে পছন্দ তাকে। রাজকাহিনী বিসর্জনের মতন ছবিতে কাজ করার পর, তিনি দর্শকদের ও পছন্দের অভিনেত্রীর তালিকায় চলে এসেছেন বহু আগেই। নিজের সুদক্ষ অভিনয় দিয়ে তিনি মন জয় করেছেন এপার বাংলার অজস্র দর্শকের।
জয়া বরাবরই অন্য ধাঁচের সিনেমা করার জন্য খ্যাত। গল্পের ভাবনা থেকে চরিত্র নির্বাচন তিনি করেন বেশ ছেঁকে।এবার বাংলাদেশের ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা ১৯৭১ উপন্যাস এর ওপর নির্মিত ছবিতে কাজ করতে চলেছেন জয়া।

সাল ১৯৭১। এই বছরটা রন্ধ্রে রন্ধ্রে মনে রাখে বাংলাদেশী মানুষ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।তা নিয়ে বহু লেখার মধ্যে সুপরিচিত উপন্যাস আহমদ ছপা-র উপন্যাস ‘অলাতচক্র’। যা পড়ে আজও শিহরন জাগে বাংলাদেশীদের মনে।সেই মুক্তিযুদ্ধ নিয়েই লেখা আহমদ ছপা-র বিখ্যাত উপন্যাস ‘অলাতচক্র’। যা সর্বপ্রথম ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়। সেই উপন্যাস অবলম্বনে 3D-তে তৈরি হয়েছে বাংলা সিনেমা ‘অলাতচক্র’। মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তিতে মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি।

আরো পোস্ট- ভাইরাল- কাঁধে বাচ্চা, কর্তব্যে অবিচল ট্রাফিক পুলিশ!

ছবির 3D চিত্রগ্রহণে ছিল মুম্বইয়ের ‘স্কাই ওয়ার্ক স্টুডিও’। যাঁরা এর আগে রজনীকান্ড, অক্ষয়কুমারের ‘রোবট’, ‘২.০’-র চিত্রগ্রহণ করেছিলেন। আগামী ১৯ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি।এই ছবিতে আহমেদ রুবেল ও জয়া আহসান ছাড়াও রয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ, অভিনেতা গাজী মাহতাব হাসান এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ আরও অনেকে। অতিথী শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন ‘খাঁচা’র চলচ্চিত্র নির্মাতা আকরাম খান। ছবি পরিচালনা করছেন হাবিবুর রহমান।

সম্প্রতি সামনে এসেছে ছবির টিজার। যা নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্য়ান্ডেলে শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী।টিজার শেয়ার করে আহমদ ছফার কথা ধার করেই লিখেছেন, ”উনিশশো একাত্তর মহাসিন্ধুর কল্লোল।” জয়া আরও লিখেছেন,”মহান মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তির এই মহেন্দ্রক্ষণে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে বাংলা ভাষায় নির্মিত প্রথম থ্রিডি চলচ্চিত্র #অলাতচক্র (3D) । আগামী ১৯ মার্চ,২০২১ -এ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.