স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আগেই নাম ঘোষনা করা হয়েছে৷ সোমবার রাজ্যে পা রাখলেন নতুন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর৷ বিদায়ী রাজ্যপালের সমালোচনা করলেও, এদিন নতুন রাজ্যপালকে স্বাগত জানায় রাজ্য সরকার৷ মঙ্গলবার রাজভবনে শপথ নেবেন নতুন রাজ্যপাল৷

সোমবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন নতুন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর৷ তখন সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা জানাতে হাজির ছিলেন রাজ্য সরকারের একটি প্রতিনিধি দল৷ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নতুন রাজ্যপালকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়৷ রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি দলে ছিলেন চারজন মন্ত্রী ৷ এরা হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, পূর্ণেন্দু বসু, ব্রাত্য বসু৷ এছাড়া ছিলেন মুখ্যসচিব মলয় দে, ডিজি বীরেন্দ্র সিং।

আরও পড়ুন : দুর্গাপুজোয় বিজেপি: মুখ্যমন্ত্রী হতাশায় ভুগছেন, মন্তব্য সায়ন্তনের

প্রসঙ্গত,জগদীপ ধনকর সুপ্রিম কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী। রাজস্থানের প্রাক্তন সাংসদ। রাজস্থানের ঝুনঝুনু লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১, নবম লোকসভায় সাংসদ ছিলেন তিনি। বিদায়ী কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর জায়গায় আসছেন তিঁনি৷ সংবাদ মাধ্যমে খবর পেয়েই বাংলার নতুন রাজ্যপালকে ট্যুইটে স্বাগত জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

যদিও বিদায় বেলায় বোমা ফাটিয়ে গেলেন রাজ্য পাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকরে তিনি বললেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বাংলায় তোষণের রাজনীতির জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হচ্ছে। বাংলায় আইন শৃঙ্খলার উন্নতির প্রয়োজন। বাংলার সমস্ত নাগরিককে এক চোখে দেখা উচিত।

আরও পড়ুন : ‘দিদিকেবলো ডট কম’ লঞ্চ করলেন মমতা, দিলেন ফোন নম্বর

রাজ্যপালের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃনমূল কংগ্রেস নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্যপালের বক্তব্যের কখনো বিরূপ মন্তব্য করিনি। কেশরীনাথ ত্রিপাঠি যতদিন ছিলেন রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর খারাপ সম্পৰ্ক ছিল বলে মনে হয় না। কিন্তু তখন উনি বলেননি তোষণের রাজনীতি চলছে বা আইন শৃঙ্খলার উন্নতি প্রয়োজন। রাজ্যপাল হিসাবে ওর পদকে গৌরবান্বিত করলেন না। যাওয়ার আগে বিজেপির কাছে ‘পয়েন্ট’ পাওয়ার চেষ্টা করলেন। শুনেছিলাম রাজভবনে তা নাকি বিজেপির পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে। যাওয়ার আগে উনি তা প্রমান করে গেলেন।