কলকাতা: পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে টুইট রাজ্যপালের। ভিনরাজ্য থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা জগদীপ ধনখড়ের। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে অন্য রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের দূরে সরিয়ে রাখার প্রবণতা হতাশাজনক বলেও মন্তব্য করেন রাজ্যপাল।

করোনা মোকাবিলায় একটানা লকডাউনের জেরে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে লক্ষ-লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক আটকে পড়েন। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে আটকে পড়া পরিযায়ীদের তাঁদের নিজেদের রাজ্যে ফেরানো হচ্ছে। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালিয়ে আটকে পড়া পরিযায়ীদের নিজেদের রাজ্যে ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে রেলমন্ত্রক। তবে ভিনরাজ্য থেকে ফেরা পরিযায়ীদের জেরে দেশের একাধিক রাজ্যে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এমনকী বাংলাতেও ভিনরাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরে আসার পর করোনার সংক্রমণ অনেকটাই বেড় গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভিনরাজ্য থেকে যারা বাংলায় ফিরছেন তাঁদের অনেকেই করোনার বাহক। তাঁদের থেকেই অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ।

পরিযায়ী শ্রমিকরা ঘরে ফিরতেই বাড়ছে সংক্রমণ। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও জেলায় প্রায় প্রতিদিনই আক্রান্তের বাড়ছে। যার জেরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীনও হতে হচ্ছে শ্রমিকদের।

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে শুক্রবার সকালে টুইটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে রাজ্যপাল লেখেন, ‘পরিযায়ীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রাপ্য। যে পরিযায়ী শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরে আসছেন, তাঁরা আমাদের আপনজন। তাঁরা পেটের দায়ে রাজ্য ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। ওঁরা আমাদের সম্পদ, কেউ ফেলনা নন। আমাদের ছেলেমেয়েরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়ে নিজেদের ঘরে, আপনজনের কাছে ফিরতে চাইতেই পারেন।’

এরই পাশাপাশি রাজ্যপাল আরও লেখেন, ‘বিশ্বব্যাপী মহামারীর প্রেক্ষাপটে নিজেদের বাড়ি ফিরে এলে তাঁদের উষ্ণ আমন্ত্রণ প্রাপ্য। তাঁদেরকে কোভিড সংক্রমণকারী হিসেবে দেগে দেওয়া অন্যায়, অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক এবং হৃদয়বিদারক।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I