স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরসভার ব্যর্থতা নিয়ে মঙ্গলবার তোপ দেগেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। দলের বর্ষীয়ান নেতাকে পাল্টা কটাক্ষ করেছিলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। সেই প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

বুধবার টুইটারে তিনি লিখেছেন, “জনসমক্ষে রাজ্যের মন্ত্রীরা যে ভাবে তু তু-ম্যায় ম্যায় করছেন, বিধায়ক জনতার হাতে মার খাচ্ছেন, এসব দেখলেই বোঝা যাচ্ছে পরিস্থিতি কী!” পুরসভার প্রশাসক তথা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে কাঠগড়ায় তুলে মঙ্গলবার তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে বলেছেন, ফিরহাদ হাকিম বিধায়কদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় রেখে চলেননি। তাঁর উচিত ছিল, বিধায়কদের ডেকে আলোচনায় বসা।

তিনি এও বলেন, “এখনকার প্রশাসক তো শোভনবাবুর সঙ্গে আলোচনা করতে পারতেন! পরামর্শ নিতে পারতেন!” চুপ করে থাকেননি ফিরহাদও। পাল্টা জবাবে ফিরহাদ বলেন, “আমি বাড়িতে বসে বড় বড় কথা বলছি না। রাস্তায় নেমে কাজটা করছি। উনি রাস্তায় নামুন না!”

এরপরই কটাক্ষের সুরে বলেন, “সাধন দা বেচারা অসুস্থ। ওর কথার অত গুরুত্ব দিচ্ছি না।” তৃণমূলের অন্দরের এই কোন্দল নিয়ে ঠাট্টা করার সুযোগ হাতছাড়া করেনি বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের সাংসদ অর্জুন সিং রাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “অমিত মিত্র, সুব্রত মুখ্যপাধ্যায়, সুব্রত বক্সীর মত সক্ষম ও বর্ষীয়ান নেতারা সাবধান থাকুন। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংবিধানিক এলার্ট -যে সত্য বলবে, তাঁকে বয়স্ক ও অসুস্থ ঘোষণা করা হবে।” সাধন-ফিরহাদের প্রকাশ্য লড়াই নিয়ে এদিন রাজ্যপালের টুইটেও তীব্র ব্যাঙ্গাত্মক সুর ছিল।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।