dhankar-mamta

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মুর্শিদাবাদ তথা বাংলায় জঙ্গি কার্যকলাপ বৃদ্ধির ঘটনা নিয়ে রাজ্যে তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

পড়ুন আরও- আল-কায়েদার বড়সড় চক্রের হদিশ বাংলায়, হাতেনাতে ধরা পড়ল ৬ জন

তিনি বললেন, বেআইনি বোমা তৈরির কারখানা হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও কেরালার এর্নাকুলামের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ৯ আল কায়দা জঙ্গিকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)।

তার মধ্যে ৬ জনই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। এনআইএ সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই ৯ জঙ্গিকে ট্রেনিং দিত পাকিস্তানে থাকা আলি-কায়দার মাথারা। নির্দেশ ছিল ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গি হামলা করার। নিশানায় ছিল রাজধানী শহর দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকাও।

ধৃত আল কায়েদা জঙ্গি

এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই টুইটে রাজ্যপাল লিখেছেন, “বেআইনি বোমা তৈরির কারখানা হয়ে উঠেছে রাজ্য। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পুলিশ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে রুখতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। যাঁরা পুলিশ–প্রশাসনে উচ্চপদে রয়েছেন, তাঁরা রাজ্যের আইন–শৃঙ্খলার এই পরিস্থিতিতে দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।”

রাজ্য পুলিশের ডিজিপি বীরেন্দ্রকে খোঁচা দিয়ে তিনি লিখেছেন, “রাজ্যের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে অনেক দূরে রয়েছেন ডিজিপি। এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়।” রাজ্যপালের টুইটের জবাব দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।

তিনি বলেছেন, “বেশিরভাগ জঙ্গি সীমান্ত হয়েই পশ্চিমবঙ্গে ঢোকে। সে ক্ষেত্রে বিএসএফ কেন আগে থেকে ব্যবস্থা নিচ্ছে না? তারা তো কেন্দ্রের অধীন। তাই রাজ্যকে আগে দোষারোপ না করে কেন্দ্রের কাছে জবাবদিহি চাওয়া উচিত রাজ্যপালের।”

এদিকে, ধৃতদের থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস, নথিপত্র, জিহাদি সাহিত্য, ধারালো অস্ত্র, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, স্থানীয় এলাকা থেকে বানানো শরীরে পড়ার বর্ম, ঘরে বসে বিস্ফোরক বানানোর বিভিন্ন বই এবং নথিপত্র, উদ্ধার হয়েছে।

এই ৯ জঙ্গির নাম, মুরশিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোশারফ হোসেন, নাজমুস সাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মণ্ডল, লিউ ইয়ান আহমেদ, আল মামুন কমল এবং আতিতুর থমান। এদের সকলকেই শনিবার আদালতে পেশ করে তাদের পুলিশই হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।