ভুবনেশ্বর:  গত কয়েকদিন আগে ঘন্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়েছে সুপার সাইক্লোন ফণী। দুই দশকের মধ্যে ভারতে আঘাত হানা এটাই ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণী। সুপার সাইক্লোনের আঘাতে লন্ডভন্ড গোটা ওডিশা। ক্রমশ সেখানে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। মারাত্মক সাইক্লোনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩। আহত ৩০০ মানুষ। যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে পারে বলে আশঙ্কা।

অন্যদিকে সেদিনের তুমুল ঝড়ের তাণ্ডবে পুরীতে আশেপাশের বাড়ি ভেঙে পড়ে যাওয়ার ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। যা দেখে আঁতকে উঠেছেন অনেকেই। কোথাও বাড়ির জানলা, দরজা খুলে চলে যাচ্ছে, কোথাওবা দেখা যাচ্ছে নির্মীয়মাণ বহুতলের ক্রেনকে টেনে মাটিতে ফেলে দিচ্ছে এই ঘূর্ণিঝড়। কিন্তু এসবের মাঝেই সেদিন অটল ছিল পুরীর জগন্নাথের মন্দির।

ছবি- ওডিশা টেলিভশন।

ঝড় আছড়ে পড়ার পরেই মন্দিরের উল্টোদিকের একটি বাড়ি থেকে করা একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যায় প্রচণ্ড গতির হাওয়ায় ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে সবকিছু। কিন্তু একভাবে স্থির জগন্নাথ দেবের মন্দির। তিনি যেমন ভাবে থাকেন তেমন ভাবেই অটল অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ওই ভিডিও দেখলে মনে হতেই পারে তিনি এখন নিদ্রা গিয়েছেন। তাই প্রাকৃতিক এই মহাদুর্যোগও তাঁকে বিরক্ত করতে চাইছে না। শুধু তাঁর মন্দিরের পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে রুদ্র মূর্তি নিয়ে। আদৌতে সত্যিই মহাপ্রলয় আঘাত করতে পারেনি জগন্নাথমন্দিরকে!

ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। ক্রমশ সামনে ক্ষয়ক্ষতির ছবি। তেমনই সামনে এসেছে পুরীর মন্দিরের ছবিও। যেখানে মন্দিরজুড়ে স্পষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ছবি। মন্দিরের বেশ কয়েকটি প্রাচীন যুগের পাথর দিয়ে তৈরি মূর্তি ভেঙে পড়েছে ঝড়ের কারণে। যেগুলি দেখতেই কার্যত দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসত পর্যটকরা। শোভা বাড়ত মন্দিরের। শুধু তাই নয়, হঠাত বিদ্যুৎ ঝলকানির হাত থেকে মন্দিরকে বাঁচাতে বিশেষ আরথিন করা হয়েছিল। তাও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও গোটা মন্দিরটি নষ্ট না হওয়ার জন্যে বিশেষ রড লাগানো ছিল। সেটাও ঝড়ের কারণে ভেঙে পড়েছে বএল জানাচ্ছে স্থানীয় বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।

ছবি সৌজন্যে- ওডিশা টেলিভশন

পাশাপাশি মন্দিরের বেশ কয়েকটি জায়গায় কাজ চলছিল। মূলত সংস্কারের কাজ চলছিল সেখানে। কিন্তু প্রবল ঝড়ের কারণে সেগুলিও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংবাদমাধ্যমের। বাইরে ক্ষতি হলেও মন্দিরের ভিতরে ফনীর কোনও আঘাতই আঁচড় কাটতে পারেনি বলে দাবি সংবাদমাধ্যমের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।