ফাইল ছবি

নয়াদিল্লিঃ  ১৪৪ ধারা জারির মধ্যেই দফায় দফায় সংঘর্ষ দিল্লিজুড়ে। সকাল গড়িয়ে রাত। এখনও পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে দিল্লির একাংশজুড়ে। পরিস্থিতি এতটাই অগ্নিগর্ভ যে দেখাঁ মাত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দিল্লিতে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। চলছে টহল। জানা যাচ্ছে, অশান্তি এড়াতে জাফরাবাদ এলাকা খালি করে গিয়েছে পুলিশ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই এলাকা থেকে।

গত শনিবার রাত থেকে দিল্লির জাফরাবাদ মেট্রো স্টেশনের বাইরে প্রচুর সংখ্যক মহিলা জড়ো হন। এবং পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। ঘটনাস্থল ছিল ৬৬ নম্বর জাতীয় সড়ক। যা সোলামপুরকে মৌজপুর এবং যমুনা বিহারের সঙ্গে যুক্ত করেছে। দিল্লির অন্যান্য ব্যস্ত রাস্তাগুলির মধ্যে এটি একটি। বিক্ষোভকারীরা দাবি করে জানান যে, তাঁদের এই আন্দোলন এনআরসি এবং সিএএ’র বিরোধিতাকে আরও তীব্র করার একটি পদক্ষেপ ছিল।

এছাড়াও তাঁরা এদিন দলিতদের জন্য সংরক্ষণের দাবি জানাচ্ছিলেন এই আন্দোলনের মাধ্যমে। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দিল্লি যখন যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে তখন জাফরাবাদে আন্দোলনকারী মহিলাদের সরিয়ে দেয় দিল্লি পুলিশ। এই আন্দোলন থেকেই যাতে কোনও অশান্তি না ধরতে পারে সেজন্যেই এই সতর্কতা বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, শাহিনবাগ থেকে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভকারীদের তুলে দেওয়ার ব্যাপারে কাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি রয়েছে। শুনানি শেষে আদালত কি রায় দেয় সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিকমহল। নজর শাহিনবাগের আন্দোলনকারীদেরও। উল্লেখ্য, এর আগে শাহিবাগে মধ্যস্থকারী দুজনকে পাঠায় সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু কোনও কিছুই উল্লেখযোগ্য ভাবে হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আদালত শুনানিতে কি জানায় সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ