নাগপুর: বিদর্ভকে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন করতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন ওয়াসিম জাফর৷এবার অবশিষ্ট ভারতের বিরুদ্ধে ইরানি কাপেও ব্যাট হাতে দলের ইনিংস টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন প্রাক্তন ভারতীয় টেস্ট ওপেনার৷

জামথায় টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ফৈজ ফজল৷ ঘরের মাঠের চেনা পিচে বিদর্ভ দলনায়কের সিদ্ধান্ত যে মোটেও ভুল ছিল না, তা বোঝা যায় দিনের শেষেই৷

সঞ্জয় রামাস্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ফজল ওপেনিং জুটিতে ১০১ রান তুলে দলকে শক্ত ভিতে বসিয়ে দেন৷ ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে শেষমেশ জয়ন্ত যাদবের বলে আউট হন সঞ্জয়৷ তিনি ৬টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১১১ বলে ৫৩ রানের সতর্ক ইনিংস খেলেন৷

জাফরের সঙ্গে জুটি বেঁধে দ্বিতীয় উইকেটে আরও ১১৭ রান যোগ করেন ফজল৷ চায়ের বিরতির পর ব্যক্তিগত ৮৯ রানের মাথায় রবিচন্দ্রন অশ্বিনের শিকার হন বিদর্ভ অধিনায়ক৷ আরও একটু ধৈর্য্য দেখালে ব্যক্তিগত শতরানের কোটাও পূর্ণ করতে পারতেন তিনি৷

জাফর অবশ্য কোনও ভুল করেননি৷ ফজল সেঞ্চুরির দোরগোড়া থেকে ফিরলেও গণেশ সতীশকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বাকি সময়টুকু নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দেন ওয়াসিম৷ ইতিমধ্যে কেরিয়ারের ৫৩ তম ফার্স্ট ক্লাস সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন তিনি৷

প্রথম দিনের শেষে জাফর অপরাজিত রয়েছেন ব্যক্তিগত ১১৩ রানে৷ ১৬৬ বলের ইনিংসে ১৬টি চার ও একটি ছয় মেরেছেন তিনি৷ সতীশ ব্যাট করছেন ২৯ রানে৷ বিদর্ভ ২ উইকেটে ২৮৯ রান তুলে দিনের খেলা শেষ করেছে৷

অবশিষ্ট ভারতের হয়ে বল করার সময় আশ্বিন নিজের নতুন অস্ত্রের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু করে দেন৷ ক’দিন আগেই অফস্পিনার রবিচন্দ্রন জানিয়েছিলেন যে, নতুন ধরনের লেগস্পিন বোলিং শিখছেন তিনি৷ আইপিএলে সেই অস্ত্র প্রয়োগ করার আগে ইরানি কাপেই অশ্বিন শান দিয়ে রাখলেন নিজের লেগস্পিনে৷ যদিও জাফরকে বিন্দুমাত্র বিব্রত করতে পারেনি অশ্বিনের নতুন হাতিয়ার৷