কলকাতা: বিশ্বভারতীর এক বাংলাদেশি ছাত্রীকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কয়েকদিন আগেই। এবার সেই তালিকায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। পোল্যান্ডের বাসিন্দা ওই ছাত্রকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সিএএ বিরোধী মিছিলে অংশ নেওয়ায় এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই পড়ুয়াকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের ছাত্র কামিল শেদচিনস্কিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আওতাধীন ফরেন রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস থেকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কামিলকে ভারত ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগেই এ ব্যাপারে তাঁকে নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে খবর। তাঁকে ফরেন রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশনের কলকাতা অফিসে দেখা করতে বলা হয়েছিল। গত ২২ ফেব্রুয়ারি দেখা করেন ওই ছাত্র। সেখান থেকেই তাঁকে ভারত ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কোনও বিদেশি ভারতে থাকতে পারে না, এই দাবিতেই তাঁকে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে।

যদিও যাদবপুরের একাংশের দাবি, সিএএ বিরোধী মিছিলে যোগ দেওয়ার জন্যই তাঁকে এই মূল্য চোকাতে হয়েছে।
এবছর তাঁর তৃতীয় সেমেস্টার রয়েছে। এর আগে এই ছাত্র বিশ্বভারতীতে বাংলা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। যদিও সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের তরফ থেকেও এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ঠিক একই অভিযোগে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বাংলাদেশি পড়ুয়াকেও ভারত ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিল ফরেন রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)।

২০ বছর বয়সী বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকস্তরের ছাত্রী আফসারা অনিকা মিম’কে সরকার বিরোধি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ‘ভারত ছাড়ো নোটিশ’ দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিদেশীদের আঞ্চলিক রেজিস্ট্রেশনের কলকাতা অফিস তরফে ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখে ইস্যু হওয়া একটি চিঠি তাঁকে বুধবার দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর মাসে, আফসারা অনিকা মিম শান্তিনিকেতনে নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় কিছু ছবি পোস্ট করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই ছবির পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে শুধুমাত্র কটাক্ষ নয় পাশাপাশি তাঁকে ‘বাংলাদেশের সন্ত্রাস’ তকমা দেওয়া হয়।