পানাজি: জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডোয় স্কোয়াডের শক্তি আরও বাড়িয়ে নিল লিগ টপার মুম্বই সিটি এফসি। সোয়াপ ডিলে ডিফেন্ডার ফারুখ চৌধুরিকে ছেড়ে দিয়ে আইএসএলের অভিজ্ঞ উইঙ্গার জ্যাকিচাঁদ সিংকে দলে নিল আইল্যান্ডাররা। বিপিন সিং’য়ের পাশাপাশি ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম তারকা জ্যাকিকে দলে পেয়ে সার্জিও লোবেরার দলের শক্তি যে আরও বাড়ল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

গত মরশুমে এফসি গোয়ায় সার্জিও লোবেরার অধীনে খেলেছিলেন এই মণিপুরি উইঙ্গার। এরপর চলতি মরশুমের শুরুতে দল বদলে জামশেদপুরের পথে পা বাড়িয়েছিলেন জ্যাকি। মরশুমের মাঝপথে ট্রান্সফার উইন্ডোয় মুম্বইয়ে যোগদানের ফলে জ্যাকি ফের তাঁর পুরনো কোচের অধীনেই খেলবেন। কারণ মুম্বইয়ের বর্তমান কোচ সার্জিও লোবেরা গত মরশুমে এফসি গোয়ার হেড কোচের পদেই আসীন ছিলেন। ট্রান্সফার উইন্ডোয় ফারুখ চৌধুরিকে ছেড়ে জ্যাকিকে দলে পেয়ে মুম্বইও যে লাভবান হল বলা যায়।

ইতিমধ্যেই চলতি আইএসএল মরশুমে ওয়েন কয়েলের অধীনে জামশেদপুরের হয়ে ১২টি ম্যাচ খেলেছেন জ্যাকি। নামের পাশে রয়েছে ৩টি অ্যাসিস্ট। আইএসএলের অন্যতম অভিজ্ঞ ২৮ বছরের এই মণিপুরি ফুটবলারের ঝুলিতে রয়েছে ৮৫টি ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা। এফসি পুনে সিটি, কেরালা ব্লাস্টার্স, এফসি গোয়া, জামশেদপুর এফসি’তে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা জ্যাকি মুম্বইয়ের জার্সি গায়ে এটি দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে চলেছেন। এর আগে ২০১৬ মুম্বইয়ের জার্সি গায়ে আট ম্যাচ খেলে ১টি গোল করেছিলেন মূলত বাঁ-পায়ের এই ফুটবলার।

মুম্বইয়ে ফিরে মণিপুরি ফুটবলার জানিয়েছেন, ‘মুম্বই সিটি এফসি’তে পুনরায় ফিরতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত। আমি ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানাতে চাই কোচ সার্জিও লোবেরার অধীনে আমাকে পুনরায় খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’ জ্যাকি আরও বলেন, ‘আমি লোবেরার ফুটবল দর্শনের সঙ্গে ভীষণভাবে পরিচিত। আমি জানি উনি আমার থেকে কী প্রত্যাশা করেন। আমি উচ্ছ্বসিত আমার সেইসব দর্শকদের সামনে খেলব ভেবে, কয়েকবছর আগে যারা এখানে আমায় অফুরান ভালবাসা দিয়েছিলেন।’

লোবেরাও জানিয়েছেন, ‘জ্যাকি একজন দুর্ধর্ষ মানের ফুটবলার। ও আমাদের ফুটবল দর্শন সম্পর্কে অবহিত। আমি নিশ্চিত ও নতুন পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে খুব বেশি সময় নেবে না। ও আমাদের স্কোয়াডে মূল্যবান সংযুক্তিকরণ।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।