ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দুর্গাপুজোর পরেই রাস্তায় নামতে চলেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, কালীপুজোর পরই বাংলায় সশরীরে প্রচারে নামবেন অমিত শাহ, জে পি নড্ডার মতো বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। বিজেপি জানিয়েছে, রাজ্যে শাসক শিবিরের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়া ও অন্য দিকে সংসদে সদ্য পাশ হওয়া কৃষি ক্ষেত্রে সংস্কারমুখী বিলগুলির ইতিবাচক দিক তুলে ধরবেন তাঁরা।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি ও প্রচার কৌশল নিয়ে চলতি সপ্তাহে দিল্লিতে আলোচনায় বসেন বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিজেপি সভাপতি নড্ডার সঙ্গে বৈঠকে করেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও রাজ্য নেতারা। সূত্রের খবর, সেখানেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানিয়েছেন, কালীপুজোর পর তাঁরা বাংলায় আসছেন। তবে তার আগে থেকে রাজ্য নেতৃত্বকে এই ইস্যুগুলো নিয়ে মাঠে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে উপস্থিত দিলীয় সাংসদদের রণকৌশল ভালো করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

দুদিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, কৃষি বিল নিয়ে মানুষকে ‘বিভ্রান্ত’ করছে বিরোধীরা। এই অভিযোগ তুলে পাল্টা প্রচারে নামছেন তাঁরা। জেলা থেকে বুথ পর্যন্ত প্রচার করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সম্প্রতি রাজ্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একুশের নির্বাচনে অন্তত ৫০ শতাংশ ভোট দলকে পেতেই হবে বলে টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন। দলকে তিনি বলেছিলেন, বুথস্তর পর্যন্ত নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছতে হবে। তাঁদের সবাইকে আমাদের অনুপ্রাণিত করতে হবে।

তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাংলার সব সাংসদ ও নেতাদের তৃণমূল স্তরে পৌঁছাতে হবে। প্রত্যেক পদাধিকারীকে কমপক্ষে পাঁচ-সাতটি মণ্ডলে সফর করার নির্দেশ দেন। ওই সাংসদ ও নেতাদের ‘উৎসাহিত’ করার দায়িত্ব আবার রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষকে দেওয়া হয়েছে। দিল্লির বৈঠকে ফের সেকথা মনে করিয়ে দিয়েছেন নাড্ডা।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।