বেঙ্গালুরু: ঘরোয়া ক্রিকেট ও আইপিএলে সাম্প্রতিক ফর্মের পুরস্কার পেলেন আয়ার ও নায়ার৷ ইংল্যান্ড সফরে ভারত-এ দলের নেতৃত্বের ব্যাটন উঠল শ্রেয়স আয়ার ও করুণ নায়ারের হাতে৷

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্ট এবং ইংল্যান্ড সফরে সীমিত ওভারের ফর্ম্যাটে ভারতীয় দল বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইংল্যান্ড সফরে ভারত-এ দল বেছে নেয় জাতীয় নির্বাচক কমিটি৷ ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের বিরুদ্ধে বিরাটবাহিনী লড়াইয়ে নামার আগে ইংল্যান্ড-এ দলের বিরুদ্ধে চারদিনের ম্যাচ এবং ইংল্যান্ড লায়ন্স ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ-এ দলের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে ভারত-এ দল৷

চারদিনের ফর্ম্যাটে ভারত-এ দলকে নেতৃত্ব দেবেন নায়ার৷ আর ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে ভারত-এ নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছে আয়ারের হাতে৷ ইংল্যান্ড সফরে ভারত-এ দলে বাংলার একমাত্র মুখ অভিমন্যু ঈশ্বরণ৷ এছাড়াও চলতি বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন পৃথ্বী শ এবং বিশ্বকাপের ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট শুভমন গিল৷ তাঁদের বিশ্বকাপ জয়ী দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের কোচিংয়েই ইংল্যান্ডে ভারত-এ দলের হয়ে খেলবেন পৃথ্বী-শুভমনরা৷

ভারত-এ দলের নেতৃত্বের পাশাপাশি প্রায় দেড় বছর পর টেস্ট দলে ফিরলেন নায়ার৷ ২০১৬ ইংল্যান্ড সিরিজে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল কর্নাটকের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের৷ অভিষেক সিরিজেই ট্রিপল সেঞ্চুরি (৩০৩) করে নজর কাড়েন নায়ার৷ দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটসম্যান (বীরেন্দ্র সেহওয়াগের পর) হিসেবে টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরির রেকর্ড একমাত্র নায়ারের দখলে৷ কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য দল থেকে বাদ পড়েন তিনি৷ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ইনিংসে মাত্র ৫৪ রান করেছিলেন নায়ার৷ কিন্তু গত মরশুমে ঘরোয়া ক্রিকেট এবং চলতি আইপিএলে দারুণ পারফরম্যান্স করে ফের টিম ইন্ডিয়ার টেস্ট দলে ফিরলেন এই কর্নাটকি৷

ভারত-এ ওয়ান ডে দল: শ্রেয়স আয়ার (অধিনায়ক), পৃথ্বী শ, ময়াঙ্ক আগরওয়াল, শুভমন গিল, হনুমা বিহারী, সঞ্জু স্যামসন, দীপক হুডা, ঋষভ পন্ত, বিজয় শঙ্কর, কে গৌতমস অক্ষর প্যাটেল, কুণাল পান্ডিয়া, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, দীপক চাহার, খালিদ আহমেদ এবং শার্দুল ঠাকুর৷

ভারত-এ চারদিনের দল: করুণ নায়ার (অধিনায়ক), আর সমার্থ, ময়াঙ্ক আগরওয়াল, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, পৃথ্বী শ, হনুমা বিহারী, অঙ্কিত ভাওয়ানে, বিজয় শঙ্কর, কেএস ভরত, জয়ন্ত যাদব, শাহবাজ নাদিম, অঙ্কিত রাজপুত, মহম্মদ সিরাজ, নভদীপ সাইনি এবং রজনিশ গুরবানি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।