বেঙ্গালুরু: সাম্প্রতিক সময়ে সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে উইকেটের পিছনে তাঁর পারফরম্যান্স স্বস্তি দিচ্ছে ভারতীয় দলকে। কিন্তু মহেন্দ্র সিং ধোনির অবর্তমানে দলে তাঁর যোগ্য পরিবর্ত হয়ে ওঠার চাপ সাঙ্ঘাতিক। বলছেন কান্নুর লোকেশ রাহুল।

২০১৯ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারের পর আর বাইশ গজে ফেরেননি ধোনি। ব্যাট কিংবা উইকেটকিপিং গ্লাভস হাতে অধারাবাহিক তরুণ ঋষভ পন্তের পরিবর্তে প্রয়োজনীয় সুযোগে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করেছেন রাহুল। তবে পথটা বিশেষ সুগম ছিল না। বলছেন রাহুল। ধোনির জুতোয় পা গলাতে গিয়ে তিনি নার্ভাস অনুভব করেছেন প্রতিনিয়ত। এক ক্রিকেট সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাহুল বলেন, ‘অনুরাগীদের প্রত্যাশার কথা ভেবে আমি প্রতিনিয়ত স্নায়ুচাপে ভুগেছি।’

দক্ষিণী উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানটির সংযোজন, ‘এই পরীক্ষায় হোঁচট খেলেই বিপদ। তখনই অনুরাগীরা মনে করবে তোমার মধ্যে ধোনির বিকল্প হওয়ার ক্ষমতা নেই। মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো এক কিংবদন্তী উইকেটরক্ষকের পরিবর্ত হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার চাপ অপরিসীম। এব্যাপারে তোমায় মাথায় রাখতে হবে অনুরাগীরা তাদের প্রিয় নায়কের পরিবর্তে অন্য কাউকে উইকেটের পিছনে নতুনভাবে গ্রহণ করছে।’

তবে এপ্রসঙ্গে ৩২টি ওয়ান-ডে ও ৪২টি টি-২০ খেলা রাহুল বলেছেন, ‘ব্যাপারটা এমন নয় যে আমি উইকেটকিপিংয়ের সঙ্গে অভ্যস্ত নই। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগ ও কর্নাটকের হয়ে রঞ্জি খেলার সময় আমি উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব সামলাতে অভ্যস্ত। যারা ক্রিকেট দেখেন তারা জানেন আমি উইকেটকিপিংয়ের থেকে খুব বেশি সময় দূরেও নেই। তাই দলের প্রয়োজনে এমন একটা ভূমিকা পালন করতে আমি সবসময় আরও আগ্রহী।’

অতীতের কোনও একটা ম্যাচের ফলাফল যদি তাঁকে বদলানোর সুযোগ দেওয়া হত, তাহলে তিনি কোনটা বদলাতেন? সম্প্রতি এক চ্যাট শো’য়ে এই প্রশ্নের উত্তরে রাহুল বলেন, সুযোগ পেলে ২০১৯ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ফলাফল বদলাতেন তিনি। ওই চ্যাট শো’য়ে রাহুল বলেন বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের হারটা আমাকে এখন দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে ফেরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.