রিও ডি জেনেইরো: পেলে না মারাদোনা? বিশ্ব ফুটবলের দুই মহারথীর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে আপামর ফুটবল অনুরাগীদের মধ্যে দ্বিমত চিরন্তন। এই নিয়ে তর্ক আগামীতেও চলবে, কিন্তু বুধবার দুই লিভিং লেজেন্ডের একজনকে হারাল ফুটবল বিশ্ব। মাত্র ৬০ বছর বয়সেই অনুরাগীদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা। মৃত্যুর পর কয়েকঘন্টা কেটে গেলেও এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না অনেকেই। দিয়েগোর শোকে মূহ্যমান সমগ্র ক্রীড়াবিশ্ব।

শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে দুই ফুটবল মায়েস্ত্রোর অনুরাগীদের মধ্যে দ্বিমত থাকলেও পেলে-মারাদোনা ছিলেন অভিন্ন হৃদয় বন্ধু। বুধবার বিশ্ব ফুটবলের আকাশ থেকে এক জ্যোতিষ্ক খসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্তরঙ্গ এক বন্ধুকে হারালেন ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলে। মারাদোনার মৃত্যুর খবরে শোকাহত তিনি। ফুটবলের রাজপুত্রের মৃত্যুর খবর পেয়ে ফুটবল সম্রাট এক শোকবার্তায় লিখেছেন, ‘এমনভাবে বন্ধু হারানো অত্যন্ত বেদনার।’ তবে পেলে জানিয়েছেন, ‘উপরে গিয়ে একদিন নিশ্চয় আমরা একসঙ্গে ফুটবল খেলব।’

প্রাক্তন ইংরেজ তারকা ফুটবলার গ্যারি লিনেকার এক শোকবার্তায় লিখেছেন, ‘আমার প্রজন্মের সেরা ফুটবলার একইসঙ্গে সর্বকালের সেরা ফুটবলারকে হারালাম আমরা। সুখী এবং একইসঙ্গে কঠিন একটা জীবনের পর আশা করি অবশেষে উনি কিছুটা শান্তি পাবেন এবার।’ ইতালির প্রাক্তন ফুটবলার এবং কোচ ফ্রাঙ্কো বারেসি মারাদোনার মৃত্যুর খবরে শোকে ভেঙে পড়েছেন। এই শোকবার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি প্রচন্ড আঘাত পেয়েছি। তোমার বিরুদ্ধে মাঠে নামাটা আমার কাছে সম্মানের। তোমার একটা মস্ত বড় হৃদয় ছিল। আমি নিশ্চিত তুমি এরপরেও ম্যাজিক দেখাবে এবং অনুরাগীদের কাছে আনন্দের কারণ হয়ে থাকবে।’

লিভারপুল প্রাক্তনী জেমি ক্যারাঘার মাত্র আট বছর বয়সে দিয়েগোর বিশ্বজয়ের স্মৃতি রোমন্থন করে শোকবার্তা জ্ঞাপন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘১৯৮৬ মেক্সিকো বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার খেলা দেখার অভিজ্ঞতা কখনও ভোলার নয়। এরপর থেকে বিশ্বকাপের মত মঞ্চে ওরকম কিছু আর প্রত্যক্ষ করিনি। অত্যন্ত বেদনাদায়ক খবর।’

দিয়েগো মারাদোনার মৃত্যুতে শোকবার্তা জ্ঞাপন করা হয়েছে আর্জেন্তিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, নাপোলি, বোকা জুনিয়র্স সহ প্রয়াত কিংবদন্তির প্রাক্তন সমস্ত ক্লাব থেকে। এর বাইরেও বিশ্বের প্রথম সারির সমস্ত ফুটবল ক্লাব এবং তারকা ফুটবলার মারাদোনার মৃত্যুতে শোকাহত এবং একইসঙ্গে পরিবারের প্রতি তারা সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।