নয়াদিল্লি: ‘হার্ড ওয়ার্ক ফাইনালি পেইড অফ’। কথাটা এই সময়ে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে বেশি করে খাটে যে ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে, তাঁর নাম ঋষভ পন্ত। এই ক’দিন আগেও স্টাম্পের পিছনে ক্ষমার অযোগ্য কিছু ভুল, ব্যাট হাতে হঠকারিতার কারণে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসা। এসব নানান কারণে পন্তকে নিয়ে একপ্রকার বীতশ্রদ্ধ ছিলেন অনুরাগীরা। খেলা ঘুরল ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে। সিডনি এবং গাব্বায় জোড়া স্মরণীয় ইনিংস খেলে অনুরাগীদের মাথায় চড়ে বসেছিলেন তরুণ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

এরপর দেশের মাটিতে সদ্য-সমাপ্ত ইংল্যান্ড সিরিজে পন্ত তো ব্যাট হাতে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্টের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটারদের। চতুর্থ তথা অন্তিম টেস্টে শতরান করার পথে ইংরেজ ফাস্ট বোলার জিমি অ্যান্ডারসনকে রিভার্স সুইপে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পন্ত এখন বাইশ গজের মিস্টার সেনসেশন। আর ভারতের এই ফ্ল্যামবয়েন্ট ক্রিকেটারকে এবার এক নয়া পরিচয় প্রদান করলেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ইনজামাম উল হক। বর্তমান বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সুন্দর প্রতিভা বলে পন্তকে ব্যক্ত করলেন ইনজি।

এখানেই শেষ নয়। পন্তের প্রশংসা করতে গিয়ে নিজের ইউ টিউব চ্যানেলে ইনজামাম বলেন, ‘অনেকদিন পর একজন ক্রিকেটারকে দেখছি যে বাইশ গজে কোনও চাপের পরোয়া করে না। ১৪৬ রানে দলের ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরেও ও যেভাবে ইনিংস শুরু করবে তা অন্য কেউ পারবে না। পিচের চরিত্র কিংবা বিপক্ষ দল কত রান করেছে সেসব ভুলে গিয়ে ও নিজের খেলা খেলে যায়। স্পিন এবং ফাস্ট বোলিং’য়ের বিরুদ্ধে সমান ভালো ছেলেটা। আমি ওর খেলা ভীষণভাবে উপভোগ করি। যেন মনে হয় বাঁ-হাতি সেহওয়াগের খেলা দেখছি।’

ইনজামাম তাঁর ব্যাখ্যায় আরও জানান, ‘সেহওয়াগও অন্য কোনও বিষয়কে পাত্তা দিত না। ও যখন ব্যাট করত তখন পিচের চরিত্র কিংবা বিপক্ষের বোলিং আক্রমণ এসব কিছু নিয়েই ও ভাবত না। ও নিজের খেলাটা খেলে যেত। সেহওয়াগের পর এই প্রথম আমি এমন একটা প্লেয়ার দেখলাম যাঁর কাছে অন্য বিষয়গুলো গৌণ।’ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে পন্তের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি ইনজিকে এতটাই মুগ্ধ করেছে যে প্রাক্তন পাক তারকা ব্যাটসম্যান বলছেন, ঘরে এবং বাইরে দু’জায়গাতেই ও নিজেকে প্রমাণ করেছে।

ইনজির কথায়, ‘ও যে কেবল ভারতের মাটিতে খেলছে সেটা নয়, অস্ট্রেলিয়াতেও একইভাবে খেলেছে। ওর মধ্যে যে পরিমাণ আত্মবিশ্বাস রয়েছে সেটা অবাক করার মতো। আমি ক্রিকেটে পন্তের মতো প্লেয়ার বিশেষ দেখিনি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।