কলকাতা: ‘ডার্বিটা জিতিয়ে দাও!’ রবি সন্ধ্যায় হাইভোল্টেজ ম্যাচের বল গড়ানোর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই আবেদন হাজারও বাগান সমর্থকের৷

কাট টু সিন টু… ৩৩ মাস পর ডার্বিতে জয় এসেছে৷ ডিসেম্বর ডার্বি তাই লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে খুব স্পেশাল৷ তাঁদের পাল্টা আবেদন৷ ‘এবারে জোডা় ডার্বি জিতে হোক ডবল সেলিব্রেশন৷’ মাঠে বল গড়ানোর আগে দিন প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ছুটির মেজাজ৷ সোশ্যাল মিডিয়াতেই তাই দুই পক্ষের এমন হাজারো স্লোগানে নিজেদের মেপে নিলেন সমর্থকরা৷ বাকি আবেগটা সমর্থকরা তুলে রাখলেন মাঠের জন্য৷ মরশুমে শেষ ডার্বি ঘিরে থার্মোমিটারে উত্তাপ বাড়ছে ক্রমশ৷

শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে বাগান কোচ জামিল বলে দিয়েছেন, বদলা নয় বদলের ম্যাচ! কোচের স্লোাগান যাই থাকুক না কেন সনিদের চোখেমুখে এখন বদলার আগুন! শেষ ডার্বিতে মাঠে নামা হয়নি সনির৷ তাই হাইতিয়ান ম্যাজিশিয়ন মুখিয়ে সমর্থকদের ডার্বি জয় উপহার দিতে৷ আবার ‘দুর্গরক্ষা’র চাপও নিতে হচ্ছে তাঁকে৷ আজ পর্যন্ত সনি ডার্বি খেললে মেগা ম্যাচ হারেনি বাগান৷ সেই মিথটাও ধরে রাখার লড়াই হাইতিয়ানের৷

শুধু সনি কেন, তেকাঠিতে প্রমাণ দিতে নিজেকে তাতাচ্ছেন শিল্টন৷ শেষ ডার্বিতে সুযোগ পাননি৷ এবার নয়া কোচ আস্থা রেখেছেন৷ প্রমাণ দিতে দুর্গরক্ষায় প্রহরি এখন প্রহর গুনছেন৷ বাগান কোচের কাছেও মরশুমের শেষ ডার্বি অঙ্ক পাল্টানোর ম্যাচ৷ ৩ ম্যাচে স্কোরকার্ড ০৷ অঙ্কটা পরিষ্কার, তিন ডার্বি খেলিয়ে একটিতেও জয় নেই৷ অঙ্ক বদলাতে না পারলে কপালে আবারও কাদা লেপে দেবে নিন্দুকরা৷

আরও রয়েছে, ‘অঘোষিত শেষ ডার্বি!’ বুট জোডা় তুলে রাখলে এটাই শেষ ডার্বি হতে পারে৷ শেষটা তাই স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন ময়দানের ভিকি ভাই৷ কোচ আস্থা রাখলে শুরু থেকে মাঝমাঠে থাকতে পারেন মেহতাব৷ বাকি তাঁর পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকবেন সনি, ডিকা হেনরিরা৷ আর সেটপিস থেকে কর্ণার৷ ওখানে ওমর, কিংসলে, হেনরিরা তাকিয়ে থাকবে মেহতাবের পায়ের মাপা সেন্টারের দিকে৷

ডার্বির আগে কোচ খালিদ সুর নরম করে যাই বলুন না কেন, বাগান ড্রেসিংরুমের রিংটোনটা এখন শুধুই যেন বদলাপুর!