সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : আয়লার থেকে বড় কিন্তু ওডিশার ঝড়ের থেকে কম শক্তিশালী আমফান। তবে যে কোনও মূল্যেই এই ঝড় ভয়ঙ্কর হতে চলেছে। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন , ২০০৯ সালে ধেয়ে এসেছিল আয়লা। গতিবেগ ছিল ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এদিকে ওডিশার ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। অর্থাৎ আয়লার দ্বিগুনের চেয়ে বেশি।

এদিকে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে আছড়ে পড়ার সময়ে আপফানের গটি হতে পারে ১৬০ থেকে ১৮৫ কিলোমিটার সর্বোচ্চ। কিন্তু আয়লা ও আমফান হাওয়া অফিসের তকমায় একই গোত্রের ঝড়। হাওয়া অফিসের ভাষায় ‘লেভেল ৫- স্তরের ঝড় আমফান। আয়লা ছিল ‘দ্বিতীয় স্তরের’ ঝড়। আবার এটাও ঘটনা এই তিনটি ঝড়ই সাইক্লোন। এস্কট্রিম সেভিয়র সাইক্লোন শুধুমাত্র ১৯৯৯ এবং ২০২০-এর ঝড়। অঙ্ক অনুযায়ী যা দেখা যাচ্ছে তা হল আয়লা ও আমফানের মিল রয়েছে, যা সহজেই টেক্কা দিচ্ছে আয়লাকে।

ইতিমধ্যেই আমফানের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে শহরে। সকাল থেকে মেঘলা আকাশ ছিল। যত বেলা গড়িয়েছে আকাশে মেঘের ঘনঘটা তত বেড়েছে। বেলা থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বিকেল বেলা কলকাতার বিভিন্ন স্থান থেকে ভালোরকম বৃষ্টির খবর মিলছে। বৃষ্টি কমে বুধবার আরও বাড়বে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। শহরে ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার রেকর্ড বলছে, আমফান ওডিশা থেকে ৩৬০ আর দিঘা থেকে ৫১০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে রয়েছে। বুধবার, দুপুরে রাতের দিকে বকখালির পূর্ব দিক দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে এই ঝড়। ‘ল্যান্ডফল’-এর সময়ে, তার সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার। গত বছর বুলবুল আঘাত এনেছিল ১৪৫ কিমি গতিবেগে। সেই আঘাতে কি ধরনের ধ্বংসলীলা চলেছিল তা স্পষ্ট। ১৮০ যদি হয় গতি তাহলে তার ধ্বংসলীলা যে আরও বেশি হবে তা বলাই যায়। আর দিঘার সমুদ্রতটে বিস্তীর্ণ অঞ্চল ফাঁকা। সেখান ধ্বংসলীলা বেশি হতেই পারে।

ঘূর্ণিঝড় যখন আছড়ে পড়বে তখন সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ঘটে । উত্তর ২৪ পরগনার ক্ষেত্রে এই জলোচ্ছ্বাস ৪ থেকে ৫.৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে । পূর্ব মেদিনীপুরের ক্ষেত্রে ৩থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সকালে শক্তি কমানোর প্রাথমিক একটা লক্ষণ দেখা গিয়েছিল ভয়াল ঘূর্ণিঝড় আমফানের মধ্যে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গণেশকুমার দাস এদিন সকালেই জানিয়েছেন, ‘বহু বাধা বিপত্তি পেরিয়ে ঝড় এগোচ্ছে। যদিও এটি সুপার সাইক্লোনই রয়েছে। তবে কাল অর্থাৎ সোমবার আমরা হিটিং পয়েন্টের গতিবেগ ১৯৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা দেখছিলাম। এখন সেটা কমে ১৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হতে পারে।’ ঝড়ের আভ্যন্তরীণ গতি এখনও ২০০-২৩০ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে বলা জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। হিটিং পয়েন্টে গতি কমলেও এটি ভয়ঙ্কর গতির সুপার সাইক্লোনই থাকছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।