বর্ধমানঃ  বিধানসভার ভোট যতই এগিয়ে আসছে ততই রাজ্যের শাসকদলের অন্তর্কলহ বাড়ছে। মঙ্গলবার তা আরও প্রকট হল। এদিন বর্ধমানের কালিবাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা অফিসে তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি মহম্মদ আসরাফউদ্দিন ওরফে বাবুর ডাকা সাংবাদিক বৈঠকে প্রকাশ করা হল তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের জেলা ও ব্লক স্তরের কমিটি।

বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সমন্বয় কমিটির সদস্য দেবু টুডু, জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিত দাস, প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম, খোন্দকার ফজলুর রহমান, নীহারেন্দু আদিত্য প্রমুখরা।

এদিন ৩৭ জনের জেলা কমিটি এবং ১৭টি ব্লকের সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকিদের নাম খুব তাড়াতাড়িই ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মহম্মদ আসরাফউদ্দিন আরও জানিয়েছেন, রাজ্যের তৃণমূল সরকার গোটা বাংলার সংখ্যালঘু মানুষদের জন্য বহুবিধ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন আর সেই সমস্ত প্রকল্পের কথা বাড়ি বাড়ি প্রচার করবেন তাঁরা।

তিনি জানিয়েছেন, সামনেই বিধানসভা ভোট, তাই এই ভোটে যাতে একটাও সংখ্যালঘু ভোট অন্যত্র না যায় তার জন্য তাঁরা লড়াই করবেন।

এদিকে, এদিন এই সাংবাদিক বৈঠকে মহম্মদ আসরাফউদ্দিনের এই জেলা কমিটি ঘোষণার পরই জোরদার চর্চা শুরু হয়েছে গোটা জেলা জুড়েই। কারণ সম্প্রতি রাজ্যের গ্রন্থাগার দফতরের মন্ত্রী তথা মঙ্গলকোটের তৃণমূল বিধায়ক সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী সার্কিট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করেন, গোটা জেলার সংখ্যালঘু সেলের দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়েছে। খোদ দলনেত্রী তাঁকে রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে সংগঠন সাজানোর দায়িত্ব দিয়েছেন।

ওইদিনই তিনি সাংবাদিক বৈঠকে জানান, পূর্ব বর্ধমান জেলার সংখ‌্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান করা হয়েছে ইন্তেখাব আলমকে। তাঁকেই গোটা জেলার কমিটি গঠন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খোদ ইন্তেখাব আলমও জানান, তিনি গোটা জেলায় কমিটি গঠন করে কাজে নেমে পড়ছেন।

এদিনের এই সাংবাদিক বৈঠক প্রসঙ্গে ইন্তেখাব আলম জানিয়েছেন, এই সাংবাদিক বৈঠক সম্পর্কে তাঁকে কিছু জানানোই হয়নি। এমনকি খোদ সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য চেয়ারম্যান সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী তাঁকে জানিয়েছিলেন, জেলা সভাপতি তাঁকে না জানিয়েও কিছু করতে পারবে না। কিন্তু এব্যাপারে তাঁকে কিছু জানানোই হয়নি।

পাল্টা ইন্তেখাব আলম জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ব্লকে তিনি চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন। খুব শীঘ্রই বাকি ব্লকগুলিতেও তিনি চেয়ারম্যান ঘোষণা করবেন। এমনকি জেলা সংখ্যালঘু সেলের জেলা কমিটিও খোদ মন্ত্রী তথা সেলের রাজ্য চেয়ারম্যান সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীই ঘোষণা করবেন।

অপরদিকে, এদিন এব্যাপারে মহম্মদ আসরাফউদ্দিন জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্ব জানেন। দু-একদিনের মধ্যেই সুব্রত বক্সী দুপক্ষকে নিয়েই আলোচনা করে সমস্যা মিটিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন। সেলের জেলা চেয়ারম্যান ব্যস্ততার জন্য এদিন এই সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হতে পারেননি বলে সাফাই দিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।