কলকাতা: প্রত্যক্ষ বিপণন সংস্থা অ্যামওয়ের সঙ্গে জোট বেঁধে ফ্রুট জুস বিক্রি করবে আইটিসি। এবার অ্যামওয়ের এজেন্টরা আইটিসির বি ন্যাচারাল প্লাস ব্র্যান্ডের ফ্রুট জুস বিক্রি করবে। বাজার ধরতে এবং ডাবর কোকোকোলা পেপসিকোর মত সংস্থার সঙ্গে লড়তে আইটিসি এমন কৌশল গ্রহণ করল।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে মশলা ব্যবসার জগতে পরিচিত সংস্থা সানরাইজ কিনে নিতে দেখা গিয়েছিল আইটিসিকে। তার প্রেক্ষিতে আইটিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তাদের সংস্থা ভোগ্যপণ্য ব্যবসার বৃদ্ধি ও মুনাফা বাড়াতে যে কৌশল নিয়েছে তারই অঙ্গ হিসেবে এই অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। এরপর দেখা গেল অ‌্যামওয়ের সঙ্গে জুস বেচতে গাঁটছড়া বাঁধতে।

এই প্রসঙ্গে আই টি সির ডিভিশনাল চিফ এক্সিকিউটিভ হেমন্ত মালিক বলেছেন, “অ্যামওয়ে ইন্ডিয়ার সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব ঘোষণা করে আমি খুব আনন্দিত। এই সহযোগিতা আমাদের সমন্বয়গুলির প্রতিচ্ছবি এবং আমাদের দলের স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিবিড়ভাবে কাজ করবে। আমরা নিশ্চিত যে এই অংশীদারিত্ব আমাদের গ্রাহকদের এবং সমাজকে আরও উন্নততরভাবে সেবা প্রদানে অর্থবহ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।”

এই প্রসঙ্গে অ্যামওয়ে ইন্ডিয়া এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও অংশু বুধরাজার বক্তব্য “স্বাস্থ্যপ্রেমীদের মধ্যে অ্যামওয়ে হ’ল নিউট্রালাইট-সহ বিশ্বের এক নম্বর ভিটামিন এবং ডায়েটরি পরিপূরক বিক্রয়কারী এক নম্বর ব্র্যান্ড এবং এটি ৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অগ্রগামী এবং পরিপূরক উদ্ভিদ-ভিত্তিক পদ্ধতি নিখুঁতভাবে অর্জন করার দৃঢ় উত্তরাধিকার পেয়েছে।

প্রকৃতির এবং বিজ্ঞানের সেরাটুকু দ্বারা সমর্থিত, নিউট্রালাইট অল প্ল্যান্ট প্রোটিন প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি প্রাথমিক উপাদান হিসাবে পরিচিত। বর্তমানে প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে উচ্চতর সচেতনতা প্রসার করে, আমরা বিশ্বাস করি যে বি ন্যাচারাল+ রেঞ্জের সঙ্গে মিলিত প্রতিরোধ্যতার বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য পরিচিত নিউট্রালাইট অল প্ল্যান্ট প্রোটিন প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য একটি সুস্বাদু বিকল্প দিতে চলেছে।”

এদেশে অ্যামওয়ের ৫.৫ লক্ষ এজেন্ট রয়েছেন যাদের মধ্যে ৬০ শতাংশই মহিলা। এছাড়া এই প্রত্যক্ষ বিপণন সংস্থার ১৪০টি বিপণি রয়েছে। আর অ্যামওয়ের মোট ব্যবসার ৫৫ শতাংশই হচ্ছে নিউট্রিশন পণ্য থেকে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।