রোম: করোনার জেরে বর্তমানে প্রায় সমস্ত শহরগুলিতে বহু মানুষ একে অপরের থেকে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রেখে চলেছেন। প্রায় সকলেই এখন জানেন যে, করোনা ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে কিছুটা হলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই প্রত্যেকেই এই মুহূর্তে মাস্ক পড়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন।

তবে এবার ইতালি ছোট্ট জায়গা হ্যামলেটে দেখা মিলল এক অদ্ভুত ব্যাপারের। তা একদিক থেকে ঈর্ষাণীয়ও বটে। সেখানকার নরটস্কি নামক ছোট্ট একটি শহর এখন খবরের শিরোনামে। কারণ সেখানে থাকেন জিওভান্নি ক্যারিলি (৮২) এবং জিম্পিয়েরো নোবিলি (৭৪) নামে মাত্র দুইজন। কিন্তু তা সত্বেও তাঁরা কঠোর ভাবে মেনে চলেছেন কোভিড -১৯ এর সমস্ত বিধি।

আরও পড়ুন – ট্রেনে প্যান্ট্রি কার উঠে গেলে কাজ হারাতে পারেন ১০ হাজার কর্মী

সিএনএন-এর একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই শহরে তাঁদের কোনও প্রতিবেশী নেই, তবুও অবসরপ্রাপ্ত এই প্রবীণরা কোনও ধরণের ঝুঁকি নিতে চান না। এই শফরটি পেরুজা প্রদেশের উম্বরিয়াতে অবস্থিত।

তবে এই শহরটি পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এটি প্রায় ৯০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। সেখানে যাওয়া এবং আসাও বেশ দূরহ ব্যাপার। এত উচ্চতা সত্ব্বেও সেখানে মাস্ক পড়েন ক্যারোলি এবং নোবিলিও।

ক্যারোলি আবার সিএনএনকে জানিয়েছেন, এই ভাইরাস থেকে মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। আমি যদি অসুস্থ হয়ে পড়ি তবে আমার দেখাশোনা কে করবে? আমার বয়স হয়েছে, তবে আমি আমার ভেড়া, গোরু, মৌমাছি এবং বাগানের যত্ন নিতে এখানে থাকতে চাই। আমি আমার জীবনটা খুব ভালভাবে কাটাচ্ছি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।